বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মানে স্বেচ্ছাচারিতা নয়: প্রেস সচিব

জাতীয় ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ০৭:২২ পিএম

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা মানে স্বেচ্ছাচারিতা নয়: প্রেস সচিব

সংগৃহীত ছবি

বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের অবাধ ও পূর্ণ স্বাধীনতার পক্ষে অবিচল থাকলেও সেই স্বাধীনতার অর্থ কোনোভাবেই পেশাগত স্বেচ্ছাচারিতা হতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার সীমা নির্ধারণের দায়িত্ব সরকার কিংবা সাধারণ জনগণের নয়; এ বিষয়ে যেকোনো ধরনের চূড়ান্ত আইনি সিদ্ধান্ত প্রদানের সাংবিধানিক এখতিয়ার কেবল বিচার বিভাগের। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‍‍`মিট দ্য প্রেস‍‍` অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত করতে নিজস্ব তথ্য যাচাই ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। প্রেস সচিব বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির এই দ্রুতগতির যুগে সংবাদমাধ্যমে যেকোনো অসত্য বা ভুল তথ্যের বিস্তার রোধে গণমাধ্যমকর্মীদের আরও বেশি সতর্ক ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও অন্যান্য মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুজব, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার ও ভুয়া খবর প্রতিরোধে প্রতিটি গণমাধ্যমের ভেতরে নিজস্ব উদ্যোগে প্রাতিষ্ঠানিক ও নিয়মতান্ত্রিক তথ্য যাচাই বা ফ্যাক্ট চেকিং সেল চালু থাকা প্রয়োজন। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে পাঠকের আস্থা অর্জন করাই গণমাধ্যমের মূল কাজ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানের অংশগ্রহণকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ আখ্যা দিয়েছেন প্রেস সচিব। তিনি জানান, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহ্যগত কূটনৈতিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবার জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বিশ্বনেতাদের সামনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পূর্বনির্ধারিত সরকারি সফরসূচি অনুযায়ী আগামী ২১ সেপ্টেম্বর তিনি নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন এবং বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার টেকসই রূপরেখা উপস্থাপন করবেন।

দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক পরিবেশ তুলে ধরে সালেহ শিবলী জানান, বিগত সময়ের ভঙ্গুর প্রশাসনিক অবস্থা এবং চলমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রতিকূলতা সামাল দিয়ে দেশ ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, বহুমুখী অভ্যন্তরীণ ও আঞ্চলিক ঝুঁকি কাটিয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের জন্য একটি অত্যন্ত নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও রাজনৈতিকভাবে স্থিতিশীল রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে।