ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ১১:৫১ পিএম
শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের গ্রেপ্তার এবং জুলাই সনদের পক্ষে জনমত তৈরির লক্ষ্যে আগামী ৯ জানুয়ারি (শুক্রবার) রাজধানী ঢাকায় বিশাল মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত: বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর পুরানা পল্টনস্থ দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক নীতিনির্ধারণী বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ইসলামী আন্দোলনের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম।
মহাসমাবেশের ৫টি প্রধান লক্ষ্য: বৈঠক শেষে দলের পক্ষ থেকে মহাসমাবেশের উদ্দেশ্যগুলো স্পষ্ট করা হয়েছে: ১. হাদি হত্যার বিচার: শহীদ শরিফ ওসমান হাদির প্রকৃত খুনিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।
২. আইনশৃঙ্খলা: দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও উন্নতি ঘটানো। ৩. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার: সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে চিরুনি অভিযান পরিচালনা। ৪. লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড: আগামী নির্বাচনের জন্য সব দলের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা। ৫. জুলাই সনদ ও গণভোট গণভোটের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’-এর পক্ষে ব্যাপক জনমত গড়ে তোলা।সরকারের ব্যর্থতায় ক্ষোভ সভাপতির বক্তব্যে চরমোনাই পীর বলেন, শহীদ ওসমান হাদিসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের এখনো আইনের আওতায় আনতে না পারা প্রশাসনের চরম ব্যর্থতা। অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করা হলে দেশপ্রেমিক জনতা তা মেনে নেবে না।
তিনি আরও বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা ফেরাতে দ্রুত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সব দলের জন্য সমান রাজনৈতিক সুযোগ তৈরি করা জরুরি।উপস্থিত নেতৃবৃন্দ: বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইফতেখার তারিকসহ কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৯ জানুয়ারির এই মহাসমাবেশ হবে ইনসাফ কায়েমের লড়াইয়ে এক মাইলফলক। এই কর্মসূচিকে সফল করতে ইতোমধ্যে সারাদেশে জনসংযোগ শুরুর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন