রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

শুধু জনপ্রতিনিধি নয়, এই নির্বাচন দেশ পুনর্গঠনের: তারেক রহমান

রবিউল এহ্সান রিপন

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬, ০১:১২ পিএম

শুধু জনপ্রতিনিধি নয়, এই নির্বাচন দেশ পুনর্গঠনের: তারেক রহমান

ছবি-দিনাজপুর টিভি

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, "আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের মানুষ তাঁদের হারিয়ে যাওয়া ভোটের অধিকার ফিরে পেতে যাচ্ছেন। এই নির্বাচন কেবল জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের লড়াই নয়, এটি পর্যুদস্ত বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করার নির্বাচন।শনিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে (বড় মাঠ) আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ মানুষের ভাগ্য বদলে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে নারীদের জন্য ‍‍`ফ্যামিলি কার্ড‍‍` এবং কৃষকদের জন্য ‍‍`কৃষক কার্ড‍‍` চালু করা হবে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে সহজে ঋণ, সার ও বীজ পাওয়া নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া ধানের শীষ জয়ী হলে কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফ করা হবে।

ঠাকুরগাঁও ও এই অঞ্চলের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ঠাকুরগাঁও চিনিকলসহ বন্ধ থাকা সকল শিল্প কারখানা পুনরায় চালু করা হবে। 

এই জেলায় ক্যাডেট কলেজ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপন এবং আধুনিক হিমাগার তৈরির উদ্যোগ নেবে বিএনপি। বেকারদের জন্য তৈরি করা হবে আইটি হাব।" দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর দ্রুত চালুর প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ‘হেলথ কেয়ারার’ নিয়োগের মাধ্যমে ঘরে বসে চিকিৎসা সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানান তারেক রহমান। তিনি আরও বলেন, "বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রতিটি মানুষকে তাঁর মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করা হবে, ধর্মের ভিত্তিতে নয়। আমরা এমন এক নিরাপদ রাষ্ট্র গড়তে চাই যেখানে সব ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে।

জনসভায় উপস্থিত বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, "ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশকে বাঁচাতে সারা দেশ আজ তারেক রহমানের দিকে তাকিয়ে আছে। কঠিন সময়ে তিনি যে নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তাকে সফল করতে ধানের শীষের বিকল্প নেই।"দীর্ঘ ২৩ বছর পর তারেক রহমানের ঠাকুরগাঁও সফরকে কেন্দ্র করে জনসভায় তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। নেতাকর্মীদের ঢল আর সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো জেলা শহর এক উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়।