রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানালেন নাহিদ ইসলাম

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম

রাষ্ট্রপতির অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানালেন নাহিদ ইসলাম

সংসদে নাহিদ ইসলাম

জাতীয় সংসদে বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের অপসারণ ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি রাষ্ট্রপতির নৈতিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তাঁর কঠোর সমালোচনা করেন। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

নাহিদ ইসলাম জানান, তিনি রাষ্ট্রপতির ভাষণ শোনেননি বা পড়েননি এবং সেই ভাষণ ও ভাষণ দেওয়ার সুযোগকে তাঁরা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাঁর দাবি, বর্তমান রাষ্ট্রপতির বঙ্গভবনে থাকার বা সংসদে বক্তব্য দেওয়ার কোনো নৈতিক অধিকার নেই। 

তিনি রাষ্ট্রপতির অতীত কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে জানান, দুদক কমিশনার হিসেবে তাঁকে নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। যার মধ্যে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলায় শাস্তি নিশ্চিত করা এবং পদ্মা সেতুর দুর্নীতির অভিযোগ থেকে আওয়ামী লীগকে অব্যাহতি দেওয়ার মতো বিষয় ছিল।

বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ আরও অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালে শেখ হাসিনার নির্দেশে সাহাবুদ্দিনের নেতৃত্বে একটি বিচারিক তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল। সেই কমিশন ২০০১ সালের সংখ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে একটি প্রতিবেদন দেয়। তাঁর মতে, ওই প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে আনা গুরুতর অভিযোগগুলো আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেছে।বক্তব্যের এক পর্যায়ে নাহিদ ইসলাম দাবি করেন, রাষ্ট্রপতি ইসলামী ব্যাংক দুর্বল করার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন, যার ফলে বিপুলসংখ্যক আমানতকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। 

এছাড়া তিনি জুলাইয়ের গণহত্যার সময় রাষ্ট্রপতির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, এই দুর্নীতিবাজ ও মিথ্যুক রাষ্ট্রপতিকে আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।শেষে তিনি প্রশ্ন তোলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীরা রাষ্ট্রপতির অপসারণ দাবি করেছিল। তখন বিএনপি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতার কথা বলে তাঁর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। নাহিদ ইসলাম প্রশ্ন করেন, এখন যখন একটি নির্বাচিত সরকার রয়েছে, তখন কেন তাঁকে অপসারণ করা হচ্ছে না।