জুন ২২, ২০২৬, ১১:২৭ এএম
হিজরি সনের প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ তথা আশুরার রোজার গুরুত্ব ইসলামে অত্যন্ত অপরিসীম ও তাৎপর্যপূর্ণ বলে জানানো হয়েছে। ইসলামে যেসব নফল রোজা রয়েছে, সেগুলোর মধ্যে এই বিশেষ দিনের রোজা অন্যতম ফজিলতপূর্ণ ও বরকতময়। ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে এই রোজা রাখার ব্যাপারে অত্যন্ত আগ্রহী থাকতেন এবং পুরো বছর এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করতেন।
এই বিশেষ রোজাকে বিভিন্ন হাদিসে রমজানের পর সর্বশ্রেষ্ঠ রোজা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।আশুরার রোজার গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে ইসলামের অন্যতম রাবি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত একটি হাদিসে বলা হয়েছে, রমজান মাসের ফরয রোজার পর আল্লাহর মাস মহররমের রোজা হলো সর্বশ্রেষ্ঠ।
মুসলিম গ্রন্থের এই বর্ণনা থেকে পরিষ্কার জানা যায় যে মহররম হলো মহান আল্লাহর অত্যন্ত সম্মানিত ও মহিমান্বিত একটি মাস। এই পবিত্র মাসের সম্মান রক্ষা করা এবং এর থেকে যথাযথ সওয়াব ও কল্যাণ হাসিল করার প্রধানতম মাধ্যম হলো বেশি বেশি নফল রোজা রাখা। তাই এই মাসে ইবাদতের প্রতি বিশেষভাবে মনোযোগী হওয়া প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অত্যন্ত জরুরি।
নবীজির প্রখ্যাত সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু এই রোজার তাৎপর্য তুলে ধরে বলেছেন, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রমজান মাস ও আশুরার দিন যেভাবে গুরুত্বের সাথে রোজা রাখতে দেখেছেন, অন্য কোনো সময়ে তা দেখেননি। বুখারি গ্রন্থের এই অনন্য বর্ণনাটি আশুরার রোজার গুরুত্ব অনেকখানি বাড়িয়ে দেয়। আশুরার রোজা মূলত ১০ই মহররমের দিন একটি হলেও এর সাথে মিলিয়ে ইহুদিদের বিরোধিতা করে আগে বা পরে আরও একটি রোজা রাখার ব্যাপারে ইবনে খুজাইমার হাদিসে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন