মার্চ ২৫, ২০২৬, ০৮:২০ পিএম
নিউজিল্যান্ডের মাটিতে আরেকটি স্মরণীয় সিরিজ জয়ের ইতিহাস লিখল দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজের শুরুতে পিছিয়ে পড়েও দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে শেষ দুই ম্যাচ জিতে ৩-২ ব্যবধানে ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে প্রোটিয়ারা। ক্রাইস্টচার্চের হাগলি ওভালে সিরিজ নির্ধারণী পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে ৩৩ রানের বড় জয় পেয়েছে সফরকারীরা।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে কিউইদের মাটিতে টানা তিনটি টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের অনন্য এক রেকর্ড গড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা।ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে তরুণ ব্যাটার কনর এস্তেহেইজেনের বিধ্বংসী ইনিংসে ১৮৭ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
মাত্র ৩৩ বলে পাঁচটি চার ও ছয়টি ছক্কায় ৭৫ রানের ইনিংস খেলে তিনি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। এছাড়া দলের পক্ষে রুবিন হারমান ৩৯ এবং ভিয়ান মুল্ডার ৩১ রান করেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসের শুরুর দিকটা কিছুটা ধীরগতির হলেও এস্তেহেইজেন ক্রিজে আসার পর রানের গতি বহুগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে শেষ ১০ ওভারে সফরকারীরা ১০৮ রান যোগ করতে সক্ষম হয়, যা তাদের বড় সংগ্রহ পেতে সহায়তা করে।১৮৮ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় নিউজিল্যান্ড। স্বাগতিকদের পক্ষে বেভন জ্যাকবস ১৯ বলে ৩৬ রান করে কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করলেও অন্য ব্যাটাররা তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি। ফলে নির্ধারিত ২০ ওভারে আট উইকেট হারিয়ে ১৫৪ রানেই থেমে যায় নিউজিল্যান্ডের ইনিংস।
দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে স্বাগতিক কোনো ব্যাটারই ৩০ রানের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি। বল হাতে প্রোটিয়াদের পক্ষে জেরাল্ড কোয়েৎজে, ভিয়ান মুল্ডার এবং ওটনিল বার্টম্যান প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট শিকার করেন।পুরো সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ কনর এস্তেহেইজেন ম্যাচসেরার পাশাপাশি সিরিজসেরার পুরস্কারও জিতে নিয়েছেন। পাঁচ ম্যাচে তিনি মোট ২০০ রান সংগ্রহ করে দলের জয়ে প্রধান ভূমিকা পালন করেন।
নিউজিল্যান্ডের মাটিতে প্রোটিয়াদের এই আধিপত্য বিশ্ব ক্রিকেটে তাদের শক্তির জানান দিচ্ছে। এর আগে টানা দুটি সিরিজে জয়ের পর এবারও ট্রফি জিতে মাঠ ছাড়ল দক্ষিণ আফ্রিকা। সিরিজজুড়ে ব্যাটিং ও বোলিংয়ের দারুণ সমন্বয়ই তাদের এই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি হিসেবে দেখছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন