মার্চ ২৭, ২০২৬, ১১:১১ এএম
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে চলমান এশিয়া কাপ আর্চারিতে ভিয়েতনামকে হারিয়ে সোনা জিতেছে বাংলাদেশ কম্পাউন্ড দল। ফুটবলে ভিয়েতনামের কাছে হারের ঠিক পরের দিনই আর্চারিতে এই বিজয় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন স্বস্তি নিয়ে এসেছে। হিমু বাছাড়, ঐশ্বর্য রহমান ও নেওয়াজ আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ দল শুরু থেকেই প্রতিযোগিতায় আধিপত্য বজায় রেখেছিল।
ফাইনালে ভিয়েতনামী প্রতিপক্ষকে ২৩১-২২৫ স্কোরের ব্যবধানে হারিয়ে স্বর্ণপদক নিশ্চিত করে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের এই কম্পাউন্ড দলের গড় স্কোর ছিল ৯.৬২। বিশেষ করে হিমু বাছাড়ের ব্যক্তিগত নৈপুণ্য ছিল চোখে পড়ার মতো, যার গড় স্কোর ছিল ৯.৭৫।
ফাইনালে ওঠার পথে বাংলাদেশ দলকে বেশ কঠিন লড়াই করতে হয়েছে। কোয়ার্টার ফাইনালে মালয়েশিয়াকে হারানো ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এরপর সেমিফাইনালে ভুটানের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ।
সেখানে ভুটানিজ আর্চারদের ২৩২-২২৮ ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের টিকিট কাটে হিমু-ঐশ্বর্যরা। তবে অন্য বিভাগগুলোতে প্রত্যাশিত সাফল্য আসেনি। রিকার্ভ বিভাগে পর্যাপ্ত দক্ষ নারী আর্চার না থাকায় এবার বাংলাদেশ থেকে কোনো নারী দল গঠন করা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে রিকার্ভ পুরুষ এবং কম্পাউন্ড নারী দল ভালো শুরু করেও শেষ পর্যন্ত পদকের লড়াই থেকে ছিটকে পড়ে।কম্পাউন্ড নারী দলে থাকা বন্যা আক্তার, ঝুমা আক্তার ও কুলসুম আক্তাররা সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে থাইল্যান্ডের কাছে মাত্র ১ পয়েন্টের ব্যবধানে হেরে যান। থাই নারীদের ২৩০ স্কোরের বিপরীতে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ২২৯।
এছাড়া রিকার্ভ পুরুষ দল কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছালেও সেখানে তারা প্রতিপক্ষের কাছে হেরে বিদায় নেয়। গত বছর সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপে রিকার্ভের ব্যক্তিগত বিভাগে সোনা জয়ী আবদুর রহমান আলিফ এবার নিজের নামের বিচার করতে পারেননি। শেষ ষোলোর লড়াই থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে তাকে। দশজন আর্চার নিয়ে এবারের ব্যাংকক অভিযানে একটি সোনা জয়কেই বড় অর্জন হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন