এপ্রিল ২৭, ২০২৬, ১০:৩৭ পিএম
নিউজিল্যান্ডের দেওয়া ১৮৩ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে এক পর্যায়ে ধোঁয়াশাই তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশের জয় নিয়ে। পাওয়ার প্লেতে কাঙ্ক্ষিত রান না আসা এবং টপঅর্ডারের দ্রুত বিদায়ে চাপ বাড়লেও মিডলঅর্ডারের বীরত্বে ২ ওভার হাতে রেখেই ৬ উইকেটের জয় পায় টাইগাররা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে পাওয়ার প্লের ব্যর্থতা ও দলের পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেছেন তাওহীদ হৃদয়।
পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ ৪৪ রান তুলতেই টপঅর্ডারের ৩ উইকেট হারায়। তানজিদ হাসান তামিম ২৫ বলে ২০ রান করে আউট হন। সাইফ হাসান ১৬ বলে ১৭ এবং লিটন দাস ১৫ বলে ২১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ১০.১ ওভারের মধ্যে ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল দল।
এই পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে তোলেন তাওহীদ হৃদয় ও পারভেজ হোসেন ইমন। তারা দুজনে মিলে ৫৭ রানের জুটি গড়েন। ইমন ১৪ বলে ২৮ রানের ঝড় তুলে বিদায় নিলেও হৃদয় শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন।
তিনি ২৭ বলে ৩টি ছয় ও ২টি চারের সাহায্যে ৫১ রান করে ম্যাচসেরা নির্বাচিত হন।হৃদয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ওপর তাণ্ডব চালিয়েছেন শামিম হোসেন। তিনি ১৩ বলে করেন ৩১ রান। নাথান স্মিথের করা শর্ট লেন্থের ডেলিভারিতে শামিমের খেলা `নো-লুক` ছক্কাটি ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। আম্পায়ার দুই হাত উঁচিয়ে ছয় দেওয়ার সময় পুরো গ্যালারি করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে।
সংবাদ সম্মেলনে পাওয়ার প্লের ধীরগতি প্রসঙ্গে হৃদয় বলেন, খেলাটাই এমন যে সবাই সব দিন ভালো খেলবে না। এটাকে তিনি খেলার স্বাভাবিক অংশ হিসেবে দেখছেন। তার মতে, যেদিন পাওয়ার প্লে ভালো হবে না, সেদিন মিডলঅর্ডারের ওপর দায়িত্ব বেড়ে যায়। আবার যেদিন টপঅর্ডার ভালো খেলে, সেদিন মিডলঅর্ডারের কাজ সহজ হয়ে যায়।
হৃদয় আরও উল্লেখ করেন, এটি যেহেতু একটি টিম গেম বা দলীয় খেলা, তাই নিয়মিত সবার ভালো না করাটাই স্বাভাবিক। তবে পাওয়ার প্লের ব্যর্থতা কাটিয়ে ভালোভাবে ম্যাচ শেষ করতে পারায় তিনি তৃপ্তি প্রকাশ করেছেন। আলহামদুলিল্লাহ বলে তিনি তার বক্তব্য শেষ করেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন