সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

রেকর্ড রান তাড়া করে সিপিএল চ্যাম্পিয়ন এন্টিগা

স্পোর্টস ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬, ১১:১৮ এএম

রেকর্ড রান তাড়া করে সিপিএল চ্যাম্পিয়ন এন্টিগা

ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালে ইতিহাস গড়ে প্রথমবার শিরোপা নিজেদের করে নিয়েছে এন্টিগা অ্যান্ড বারবুডা ফ্যালকন্স। টুর্নামেন্টের ফাইনালের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রান তাড়া করার নজির স্থাপন করে জ্যামাইকা কিংসমেনকে পরাস্ত করেছে দলটি।

এন্টিগার এটিই প্রথম সিপিএল শিরোপা। ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে জ্যামাইকা নির্ধারিত ওভারে ১৭০ রানের চ্যালেঞ্জিং সংগ্রহ দাঁড় করায়। মাত্র দুজন ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারলেও মাজ সাদাকাতের বিধ্বংসী শতকে ভর করে লড়াকু পুঁজি পায় দলটি। ৩০ রানে দুই উইকেট হারানোর পর সাইম আইয়ুবকে সঙ্গে নিয়ে ৮০ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেন সাদাকাত। সাইম ২৯ রান করে ফিরলে জ্যামাইকা আবারও ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে এবং ১২৭ রানে হারায় সাত উইকেট। একপ্রান্ত আগলে রেখে সাদাকাত মাত্র ৪৯ বলে শতক পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ইনিংসের শেষ ওভারের আগের বলে আউট হওয়ার আগে ৫৮ বলে আটটি চার ও নয়টি ছক্কার মারে ১১৪ রানের চোখধাঁধানো ইনিংস খেলেন তিনি। দলের বাকি ব্যাটারদের ব্যর্থতায় অতিরিক্ত খাত থেকেই আসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১২ রান। বল হাতে এন্টিগার পাকিস্তানি স্পিনার সুফিয়ান মুকিম চার ওভারে মাত্র ১৪ রান দিয়ে চার উইকেট শিকার করেন।

জবাবে ১৭১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আগ্রাসী ব্যাটিং চালায় এন্টিগা। পাওয়ার প্লেতে এক উইকেট হারিয়ে তারা তোলে ৭৬ রান। ইনিংসের ষষ্ঠ বলে আউট হওয়ার আগে রাকিম কর্নওয়াল দুটি চার ও দুটি ছক্কায় মাত্র পাঁচ বলে তোলেন ২০ রান। দ্বিতীয় উইকেটে এভিন লুইস ও এএ জাঙ্গু মিলে যোগ করেন ৬৪ রান। লুইস ৩৮ রান করে ফিরে গেলেও দলের রানের গতি থামেনি।

তৃতীয় উইকেটে জাঙ্গু ও হাসান নওয়াজ অবিচ্ছিন্ন ৮৯ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। সতেরোতম ওভারের চতুর্থ বলে নওয়াজের ছক্কায় নিশ্চিত হয় দলের ঐতিহাসিক জয়। ৩৪ বলে ৫৭ রানে জাঙ্গু এবং ৩৫ বলে ৪৭ রানে নওয়াজ অপরাজিত থাকেন। মাত্র দুই উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান তুলে শিরোপা উৎসবে মাতে দলীয় সদস্যরা। ফাইনালে অসাধারণ বোলিং করে ম্যাচসেরার পুরস্কার জেতেন সুফিয়ান মুকিম। আর পুরো আসরে ব্যাট হাতে ১৩২ রান করার পাশাপাশি ১১ উইকেট নিয়ে টুর্নামেন্ট সেরা নির্বাচিত হয়েছেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার শাদাব খান।