নভেম্বর ৯, ২০২৫, ১০:১১ এএম
চলতি বছর ঝিনাইদহের হলিধানি এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে মাচা পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন জাতের তরমুজ চাষ শুরু হয়েছে। এই আধুনিক চাষ ব্যবস্থায় ফলন বাম্পার হওয়ায় কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসির ঝিলিক। ক্ষেত মালিক মোটা অঙ্কের টাকা লাভের আশা করছেন।হলিধানি এলাকার কৃষক আব্দুর রহিম ৫২ শতক জমিতে তরমুজের চাষ করেছেন।
তিনি জানান, এই চাষাবাদে তিনি মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করেছেন এবং কোনো রাসায়নিক সার বা কীটনাশক নয়, ব্যবহার করেছেন ভার্মি কম্পোস্ট সার।ফলন: তার ৫২ শতাংশ জমিতে সবমিলিয়ে ২ হাজারের বেশি ফল ধরেছে। প্রতিটি ফলের ওজন তিন থেকে পাঁচ কেজি।খরচ ও লাভ: ৫২ শতাংশ জমিতে তার সবমিলিয়ে ব্যয় হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। তিনি ইতোমধ্যে ১ লাখ ২৫ হাজার টাকায় ক্ষেতের তরমুজ বিক্রি করে দিয়েছেন।
আয়ের প্রত্যাশা: সবমিলিয়ে তরমুজ চাষ করে তার ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা লাভ হবে বলে তিনি আশা করছেন।আব্দুর রহিম বলেন, আধুনিক মালচিং পদ্ধতিতে চাষ, অসময়ে উৎপাদন এবং সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে এই তরমুজের চাহিদা অনেক বেশি।কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি পরিদর্শন টিম তরমুজ ক্ষেত পরিদর্শন করেছেন। ঝিনাইদহ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নূর এ নবী বলেন, ব্যতিক্রমী গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে জেলায় নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন এই তরমুজ চাষের মাধ্যমে কৃষক যেমন অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন, অন্যদিকে দেশের অর্থনীতিতেও চাঙ্গাভাব পরিলক্ষিত হবে। এটি অন্যান্য ফসলের তুলনায় অধিক লাভজনক হওয়ায় এলাকার অনেক কৃষক তরমুজ চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন