নভেম্বর ১২, ২০২৫, ০৮:১৪ পিএম
কৃষকের মাথায় দুশ্চিন্তার বোঝা নিয়ে বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকরা এখন বোরো মৌসুমের ফসল আবাদের প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং শ্রমিক, সার ও কীটনাশকের সাথে সেচের বাড়তি খরচ কতটা ভোগাবে তা নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন; সেচ নির্ভর এই মৌসুমে নলকূপ মালিকরা বিঘা প্রতি ১৬০০ থেকে ১৮০০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া আদায় করছেন বলে কৃষকরা অভিযোগ করেছেন,|
যেখানে আমন মৌসুমে এই খরচ ছিল ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত, এবং তারা জানান যে নলকূপ মালিকরা যে রেট করে সেই রেটেই তারা টাকা দিতে বাধ্য হন কারণ টাকা না দিলে হয়তো তারা পানি পাবেন না।
সরকারের দেয়া ২০ শতাংশ ভর্তুকির বিষয়েও নলকূপ মালিকরা কিছুই জানেন না বলে কৃষকরা জানান এবং ইউএনও ও বিএমডি কর্মকর্তাদের নিয়ে গঠিত উপজেলা|
সেচ কমিটির নির্ধারিত রেট প্রতি ঘণ্টা মাত্র ১৪৫ টাকা হলেও পাম্প মালিকরা তা মানছেন না। এই গুরুতর অনিয়মের কিছুই নজরে নেই কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের, যেখানে কৃষি কর্মকর্তা সেচ চার্জ নির্ধারণের বিষয়ে দায় সারলেন এবং তিনি বলেন যে বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি না পাওয়ায় তারা ২০২৩ সালের সেচ চার্যকেই ২০২৪ সালের জন্য নির্ধারণ করেছেন, এমনকি ২০২৫ সালের জন্যও বলবৎ রাখবেন।
তবে জেলা প্রশাসক কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে যদি এ ধরনের কোনো পায়তারা হয়ে থাকে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ করা হয়, সেক্ষেত্রে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে গঠিত সেচ কমিটি অবশ্যই পদক্ষেপ নেবে এবং কৃষকদের যাতে কোনোভাবে পানির সেচের ক্ষেত্রে হয়রানি না হয় সেজন্য যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। উল্লেখ্য, নওগাঁ জেলায় ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৬৩ হাজার ১৬৪টি সেচ প্রকল্প চালু আছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন