নভেম্বর ১৩, ২০২৫, ১০:১৫ পিএম
নীলফামারীর কৃষকরা আগাম জাতের আলু উত্তোলনের ঠিক আগ মুহূর্তে রোগবালাইয়ের প্রাদুর্ভাব এবং বাজারদর নিয়ে গভীর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। জেলার সদর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিস্তৃত মাঠজুড়ে এবার আগাম আলুর আবাদ হয়েছে এবং কৃষি বিভাগের তথ্যমতে প্রায় ৮ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম আলুর চাষাবাদ হয়েছে।
যদিও আবহাওয়া অনুকূলে ছিল এবং কৃষকরা নিয়মিত পরিচর্যা চালিয়েছেন, তবুও ফলন তোলার মাত্র দশ থেকে বারো দিন আগে গাছের বৃদ্ধি ভালো হলেও শেষ পর্যায়ে এসে ফসলে আলুর পচন রোগ ও পাতা ঝরার মতো সমস্যা দেখা দেওয়ায় তারা উদ্বিগ্ন।
কৃষকদের অভিযোগ, বিগত সময়ের তুলনায় সার ও কীটনাশকের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় তাদের আলুর উৎপাদন খরচ বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে|
এমন পরিস্থিতিতে যদি তারা বাজারে ন্যায্য মূল্য না পান, তবে বিপুল লোকসানের আশঙ্কা করছেন। চাষিরা তাদের উৎপাদিত আলু ঢাকা, চুয়াডাঙ্গা, লালমনিরহাট, সিলেট এবং চট্টগ্রামসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিক্রি করেন এবং এই বছরও তারা তাদের ন্যায্য মূল্য পাবেন কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।
তবে কৃষি কর্মকর্তারা জানাচ্ছেন, মাঠে রোগ প্রতিরোধে তারা প্রতিনিয়ত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন এবং তারা কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন যেন তারা ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, খুলনা বা বরিশালসহ এসব প্রত্যন্ত অঞ্চলের পাইকারদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে আলু বিক্রি করেন, তাহলে তারা তাদের কাঙ্ক্ষিত দাম পাবেন এবং তাতে তারা আরো বেশি উপকৃত ও উৎসাহিত হবেন। রোগ প্রতিরোধ করে বাজারে ন্যায্য মূল্যে আলু বিক্রি করতে পারলে কৃষকরা এবার ঘুরে দাঁড়াতে পারবেন বলে আশা করছেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন