নভেম্বর ১৩, ২০২৫, ১০:৫০ পিএম
চলতি মৌসুমে সিরাজগঞ্জের কৃষকেরা শসা ও খিরা চাষে সাফল্যের স্বপ্ন দেখছেন এবং এর জন্য তারা নতুন নতুন পদ্ধতি ব্যবহার শুরু করেছেন। এবার উপজেলায় শসা ও খিরা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে সাড়ে তিনশ হেক্টর, যার মধ্যে ইতোমধ্যে ১২ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ শুরু হয়েছে।
একজন কৃষক ১৬ ডেসিমেল জমির ওপর দেশালখিরা 'দাদাগিরি' নামের একটি নতুন জাতের চারা রোপণ করেছেন এবং তিনি পরীক্ষামূলকভাবে একটি নতুন পদ্ধতি হিসেবে জাংলা বা মাচা তৈরি করে শসার লতানো গাছগুলোকে উপরে তুলে দিচ্ছেন।
তিনি আশা করছেন, এই নতুন পদ্ধতি এবং গাছের বৃদ্ধি কেমন হয় তা পর্যবেক্ষণ করে যদি বাজারদর ভালো পাওয়া যায়, তবে তার যে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ হয়েছে, তা পুষিয়ে গিয়ে কিছু লাভও হতে পারে।
এই অঞ্চলে যে সমস্ত জাতের শসা ও খিরা চাষ হচ্ছে তার মধ্যে শাহজাদি-১, শাহজাদি-২, ফ্যান্টাসি এবং তামিল নামের একটি নতুন জাত কৃষকদের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত কৃষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছেন এবং চাষাবাদে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন, যাতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকার কারণে এবার সাড়ে তিনশ হেক্টর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যেতে পারা যায়।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন