শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

কেরানীগঞ্জে ৯ হাজার মুখোশ ও বিস্ফোরকসহ যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২৬, ০৮:৩২ পিএম

কেরানীগঞ্জে ৯ হাজার মুখোশ ও বিস্ফোরকসহ যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

ছবি: দিনাজপুর টিভি

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জাহিদ হাসান ইমন (৩০) নামের এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে শ্যামপুর থানা-পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ভোরে ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানাধীন বাগাশুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ইমন নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠন লালবাগ থানার ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। অভিযানকালে তার হেফাজত থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক, ককটেল তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম এবং ৯ হাজার পিস কাগজের মুখোশ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক বিশেষ সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম প্রিভেনশন-সাউথ) মো. তোফায়েল আহমেদ মিয়া সাংবাদিকদের সামনে এই অভিযানের বিস্তারিত প্রেক্ষাপট তুলে ধরেন। তিনি জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানার সামনের সড়কে আকস্মিক ককটেল বিস্ফোরণের একটি ঘটনা ঘটে।

ওই নাশকতার ঘটনার পর থেকে পুলিশের ওয়ারী বিভাগের যাত্রাবাড়ী, শ্যামপুরসহ সংশ্লিষ্ট থানা-পুলিশের একাধিক দল অপরাধীদের শনাক্ত করতে সমন্বিত তদন্ত শুরু করে। তদন্তের একপর্যায়ে সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রযুক্তিগত সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এই ঘটনায় জাহিদ হাসান ইমনের সরাসরি সম্পৃক্ততার সুনির্দিষ্ট তথ্য পায় পুলিশ। এরই ধারাবাহিকতায় শ্যামপুর মডেল থানা-পুলিশের একটি দল শুক্রবার ভোরে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাগাশুর এলাকার একটি বাসায় অভিযান পরিচালনা করে। ওই অভিযানে স্থানীয় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা-পুলিশও মাঠপর্যায়ে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে। সেখান থেকেই ইমনকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি নাশকতার কাজে ব্যবহৃত মুখোশ ও ককটেল তৈরির রাসায়নিক উপকরণ উদ্ধার করা হয়।