রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

দিনাজপুরে গুঞ্জাবাড়ী রঘুনাথজিউ মন্দির ও সীতা নবমীর উদ্বোধন

মো: মামুনুর রশিদ

এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম

দিনাজপুরে গুঞ্জাবাড়ী রঘুনাথজিউ মন্দির ও সীতা নবমীর উদ্বোধন

ছবি-দিনাজপুর টিভি

দিনাজপুর রাজদেবোত্তর এস্টেটের ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত গুঞ্জাবাড়ী রঘুনাথজিউ মন্দির ও সীতা নবমীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার ২৫ এপ্রিল দুপুরে দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এই ধর্মীয় উৎসব ও মন্দিরের শুভ উদ্বোধন করেন। এ সময় তিনি দেশের উন্নয়ন ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

রাজদেবোত্তর এস্টেটের এজেন্ট রণজিৎ কুমার সিংহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই উদ্বোধনী সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল হালিম এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ঐক্য ফ্রন্টের আহ্বায়ক উত্তম কুমার রায়। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন রাজদেবোত্তর এস্টেটের সম্মানিত সদস্য রতন সিং। প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম বলেন যে, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক চমৎকার দেশ। 

আমরা সবাই এই মাটিতে মিলেমিশে বসবাস করি এবং এটাই আমাদের শক্তি। তিনি আরও বলেন, আপনারা আপনাদের ধর্মীয় উৎসবগুলো যথাযথ মর্যাদায় ও নির্ভয়ে পালন করবেন এবং আমরা আমাদের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করব। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এ দেশকে আমরা সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলব।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন স্থানীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। 

তাঁদের মধ্যে ছিলেন ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জজ খান, সহ-সভাপতি সুশীল অধিকারী, দেবাশীষ ভট্টাচার্য্য, সরবিন্দু সিংহ, বিশ্বনাথ শীল, বিনোদ সরকার এবং সঞ্জয় মজুমদার। এছাড়া রাজদেবোত্তর এস্টেটের সদস্য উত্তম কুমার রায়, গৌর চন্দ্র শীল ও বিমল চন্দ্র দাসও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন। পূজা উদযাপন পরিষদ দিনাজপুর জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্জিত কুমার রায় পুরো অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত নিপুণভাবে সঞ্চালনা করেন।

উদ্বোধনী আনুষ্ঠানিকতা ও আলোচনা সভা শেষে সমবেত ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে এই সীতা নবমী উৎসব ও মন্দির উদ্বোধনী আয়োজনে অংশ নেন। উপস্থিত সুধীজন ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা এই ধরনের আয়োজনকে সামাজিক ভ্রাতৃত্ববোধ বৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে উল্লেখ করেন। সব মিলিয়ে অনুষ্ঠানটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও সম্প্রীতির আবহে সম্পন্ন হয়েছে।