মে ৯, ২০২৬, ১০:১০ এএম
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হওয়ায় গত শুক্রবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দিনের শেষভাগে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে একটি সম্ভাব্য চুক্তির আশা তৈরি হলে তেলের দাম কিছুটা কমে স্থিতিশীল হয়।
শুক্রবার লেনদেন শেষে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম প্রতি ব্যারেলে ১ দশমিক ২৩ ডলার বা ১ দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়ে ১০১ দশমিক ২৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ফিউচারসের দাম ব্যারেলপ্রতি শূন্য দশমিক ৬১ ডলার বা শূন্য দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়ে ৯৫ দশমিক ৪২ ডলারে পৌঁছায়।
বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান ‘অ্যাগেইন ক্যাপিটাল’-এর অংশীদার জন কিলডাফ জানান, বাজারে বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তা থাকলেও একটি চুক্তির বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে জোরালো বিশ্বাস কাজ করছে।
তার মতে, বিশ্ববাজার এখন হয়তো আলোচনার মাধ্যমে বড় কোনো সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে অথবা নতুন করে লড়াই শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে। প্রায়ই এই ধরনের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।কিলডাফ আরও উল্লেখ করেন যে, বাজারে এমন একটি ধারণা কাজ করছে যে দ্রুতই উভয় দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা হবে।
ধারণা করা হচ্ছে, নতুন এই চুক্তির পরবর্তী ধাপে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ৩০ দিন সময় পাওয়া যাবে। এই সময়ের মধ্যে কোনো বড় পরিবর্তন না এলে তেলের দাম দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার দিকে যেতে পারে বলে মনে করছেন বাজার বিশ্লেষকরা। তবে হরমুজ প্রণালির বর্তমান সামরিক পরিস্থিতি ও পরবর্তী পদক্ষেপের ওপরই নির্ভর করছে জ্বালানি তেলের আগামী দিনের বাজারদর।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন