রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

কাঁচাবাজার অস্থিতিশীল পেঁয়াজ ও মুরগিসহ পণ্যের দাম চড়া

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুলাই ২৪, ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম

কাঁচাবাজার অস্থিতিশীল পেঁয়াজ ও মুরগিসহ পণ্যের দাম চড়া

ছবি - সংগৃহীত

টানা বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যার প্রভাবে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে তীব্র অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। পেঁয়াজ, মুরগি, ডিম এবং কাঁচামরিচসহ প্রায় সব ধরনের নিত্যপণ্যের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। রামপুরা, খিলগাঁও, তালতলা ও মালিবাগসহ রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় প্রতিটি পণ্যের দামই ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে।

বাজারের এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে নিম্ন ও নির্দিষ্ট আয়ের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন।সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে কাঁচামরিচের। বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ২৬০ থেকে ২৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা মাত্র দুই দিন আগেও ছিল ২০০ টাকা এবং বৃষ্টির আগে ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা। খুচরা বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১০ থেকে ১৫ টাকা বেড়ে ৪৫ থেকে ৫৫ টাকায় ঠেকেছে। 

এছাড়া পেঁপে ও পটল ছাড়া অধিকাংশ সবজির দাম প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১০০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। রামপুরা ও তালতলা বাজারে বেগুন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা, করলা ১২০ টাকা এবং শসা ও গাজর ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

সবজির পাশাপাশি আমিষের বাজারেও চড়া ভাব বজায় রয়েছে। ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি ডজন ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কিছুদিন আগেও ১৩০ টাকা ছিল। ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা বেড়ে ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই মাছের দামও কেজিতে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ৪০০ থেকে ৪২০ টাকায় পৌঁছেছে।

বিক্রেতারা জানিয়েছেন, টানা কয়েক দিনের অতিবৃষ্টি ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আকস্মিক বন্যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে উৎপাদন ও সরবরাহে। মাঠপর্যায়ে ফসল নষ্ট হওয়ায় এবং চাহিদার তুলনায় জোগান কম থাকায় পাইকারি ও খুচরা উভয় বাজারেই পণ্যের দাম চড়া রয়েছে। রাজধানীর বাজারে এসে সাধারণ ক্রেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, কোনো ধরনের পূর্বপ্রস্তুতি বা নিয়ন্ত্রণ ছাড়াই পণ্যের দাম এভাবে বেড়ে যাওয়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অবিলম্বে বাজার মনিটরিং জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন তারা।