মো: মামুনুর রশিদ
নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ০১:৪৮ পিএম
ছবি-দিনাজপুর টিভি
অষ্টম পে–স্কেলের বৈষম্য নিরসন ও নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন। কর্মসূচিতে আগামী ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫-এর মধ্যে দাবি মেনে নেওয়ার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে।
ফেডারেশনের আহ্বানে গত বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় দেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালিত হয়।মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করে বলেন, ২০১৫ সালে ঘোষিত অষ্টম পে–স্কেলে ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরা চরম বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।
২০ থেকে ১৯ গ্রেডে বেতন বেড়েছে মাত্র ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা। অথচ ১১ থেকে ১০ গ্রেডে এই পার্থক্য ছিল ৪০০০ থেকে ৫০০০ টাকা পর্যন্ত।
এমনকি ওপরের দিকের কিছু গ্রেডে ১০ হাজার টাকারও বেশি ব্যবধান তৈরি করা হয়েছে।কর্মচারী নেতারা বলেন, সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর অন্তর নতুন পে–স্কেল দেওয়া হলেও ২০১৫ সালের পর দীর্ঘ ১০ বছরেও নতুন স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি কর্মচারীরা বিশেষ আশাবাদী ছিলেন। সরকার বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক করলেও বর্তমানে বলা হচ্ছে—এই সরকারের সময় পে–স্কেল বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। বক্তারা সরকারের এমন অবস্থানের তীব্র নিন্দা জানান।
অনলাইন বৈঠকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী নেতাদের মতামতের ভিত্তিতে এই কর্মসূচির সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। মানববন্ধনে জাতীয়তাবাদী কর্মচারী পরিষদের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি মো. নুরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল হাকিম লেবু, সাংগঠনিক সম্পাদক জিল্লুর রহমান এবং সদস্য নুরুল আমিন ও বেলাল হোসেন।সমাবেশ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়, আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে বৈষম্য নিরসন করে নবম পে–স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা না এলে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।