সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬,

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস শুরু

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১০:২৬ এএম

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস শুরু

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় অফিসসূচিতে পরিবর্তনের পর এবার দেশের শিক্ষাখাতেও নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। প্রচলিত শ্রেণি-কার্যক্রমের পাশাপাশি ডিজিটাল পদ্ধতির সমন্বয়ে রাজধানীর কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ রোববার থেকে পরীক্ষামূলকভাবে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়েছে। সরকারি এই বিশেষ কর্মসূচির আওতায় প্রথম দিনেই ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভার্চুয়ালি ক্লাস নিতে দেখা গেছে শিক্ষকদের।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কলেজ শাখায় এই অনলাইন পাঠদান শুরু হয়। তবে এই পদ্ধতিতে পাঠদানের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে। 

শিক্ষকরা প্রতিদিনের মতো প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ক্লাসরুমে উপস্থিত হয়ে সেখান থেকেই ভিডিও কনফারেন্সিং বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নিচ্ছেন। অন্যদিকে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ বাসায় বসে এসব ক্লাসে সরাসরি অংশ নিচ্ছেন। 

বর্তমানে বৈসাবি উৎসবের ছুটি চলায় কলেজ শাখায় এই কার্যক্রম শুরু হলেও খুব দ্রুতই তা স্কুল পর্যায়েও সম্প্রসারণ করার পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানের।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন অফলাইন বা সরাসরি ক্লাস অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে প্রতি সপ্তাহের রবিবার, মঙ্গলবার এবং বৃহস্পতিবার অনলাইন ক্লাস নেওয়া হবে। বাকি তিন দিন অর্থাৎ শনিবার, সোমবার এবং বুধবার শিক্ষার্থীরা সরাসরি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ে ক্লাস করবেন। 

তবে অনলাইন ক্লাসের দিনগুলোতে শিক্ষকদের নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যাতে তারা প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ থেকেই শিক্ষার্থীদের পাঠদান নিশ্চিত করতে পারেন।এর আগে গত ৮ এপ্রিল জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও মহানগরের স্কুলগুলোতে অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে একটি বৈঠক করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। 

এর পরদিন ৯ এপ্রিল শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান যে, রাজধানীর কয়েকটি স্কুলকে একটি পাইলট প্রকল্পের আওতায় এনে এই তিন দিনের অনলাইন ক্লাস ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। মূলত শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল এডুকেশনের দিকে উৎসাহিত করা এবং জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। রাজধানীতে এই প্রকল্প সফল হলে পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশের শিক্ষাখাতে কার্যকর করার ইঙ্গিত দিয়েছেন নীতিনির্ধারকরা। বর্তমান এই মডেলটিকে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় একটি কার্যকর পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে সংশ্লিষ্ট বিভাগ।