রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬,

পরীমনির জন্মদিনে ওমর সানীর স্নেহের আলিঙ্গন

বিনোদন ডেস্ক

অক্টোবর ২৫, ২০২৬, ১০:২০ পিএম

পরীমনির জন্মদিনে ওমর সানীর স্নেহের আলিঙ্গন

ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমনির জন্মদিনের জমকালো অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের নব্বইয়ের দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী। শনিবার (২৪ অক্টোবর) ঘরোয়া অথচ বর্ণাঢ্য এক আয়োজনের মধ্য দিয়ে নিজের জন্মদিন উদযাপন করেন পরীমনি। প্রতি বছরের মতো এবারও দেশের বিনোদন অঙ্গনের অনেক তারকা শিল্পী ও সহকর্মী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তাঁকে শুভেচ্ছা জানান। তবে জ্যেষ্ঠ অভিনেতা ওমর সানীর উপস্থিতি এবং পরীমনিকে স্নেহ প্রকাশের দৃশ্যটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

জন্মদিনের অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের পর পরীমনিকে শুভেচ্ছা জানানোর সময় এক আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়।

এ সময় জ্যেষ্ঠ সহকর্মী হিসেবে ওমর সানী পরীমনিকে পরম স্নেহে বুকে জড়িয়ে ধরেন এবং মাথায় হাত রেখে আন্তরিক আশীর্বাদ করেন। পরীমনিও তাঁর জ্যেষ্ঠ অভিনেতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পরবর্তীতে দুজনের এই স্নেহের মুহূর্তটির ধারণকৃত ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে যায়।

ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে দৃষ্টিভঙ্গিগত স্পষ্ট বিভাজন লক্ষ্য করা গেছে।

ব্যবহারকারীদের একটি অংশ এই ঘনিষ্ঠতাকে কেন্দ্র করে সমালোচনায় লিপ্ত হন। তাঁদের দাবি, সামাজিক ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে প্রকাশ্য অনুষ্ঠানে এ ধরনের অতিরিক্ত ঘনিষ্ঠতা পরিহার করা সমীচীন ছিল।

তবে নেটিজেনদের অন্য একটি পক্ষ ওমর সানীর এই আচরণকে অত্যন্ত ইতিবাচক ও মানবিক হিসেবে মূল্যায়ন করেছেন।

তাঁদের মতে, ওমর সানী চলচ্চিত্র অঙ্গনের একজন অভিভাবকতুল্য জ্যেষ্ঠ শিল্পী এবং তিনি পরীমনিকে সহকর্মী হিসেবে ছোট বোনের মতোই স্নেহ করেন। তাই জন্মদিনের মতো একটি আনন্দঘন অনুষ্ঠানে ছোট বোনকে দেওয়া অভিভাবকীয় স্নেহ ও আশীর্বাদ নিয়ে অযথা বিতর্ক সৃষ্টির কোনো অবকাশ নেই।

বিষয়টি নিয়ে বিনোদন অঙ্গনের চলচ্চিত্রবোদ্ধারা এই বিতর্ককে সম্পূর্ণ অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মত দিয়েছেন।

তাঁরা বলছেন, সংস্কৃতির অঙ্গনে কাজ করা সহকর্মীরা একে অপরের পরিবারের মতোই সম্পৃক্ত থাকেন। জন্মদিনের মতো শুভ উপলক্ষে একজন প্রবীণ অভিনেতা কনিষ্ঠ অভিনেত্রীর মাথায় হাত রেখে আশীর্বাদ করলে তা ভিন্ন বা বাঁকা চোখে দেখা মূলত সংকীর্ণ মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।