মে ৮, ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
২০২৮ সালের মধ্যে নতুন শিক্ষাক্রম বা কারিকুলাম বাস্তবায়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি জানান, একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি বর্তমানে পাঠ্যবই পরিবর্তন ও পরিমার্জনের কাজ করছেন।শুক্রবার বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব তথ্য দেন।
সভায় তিনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও মানোন্নয়ন নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আনন্দময় শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে বইয়ের কাগজের মান ও প্রিন্টিং উন্নত করতে হবে।
নোট-গাইড বই থেকে শিক্ষকদের প্রশ্নপত্র তৈরি করার পদ্ধতি বন্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিশেষ উদ্যোগ নেবে। শিক্ষকদের নিজস্ব সৃজনশীলতা ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে গুরুত্ব দেন তিনি।২০২৮ সালে পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হবে।
ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি নিয়ে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, শিক্ষকদের বর্তমানে ট্যাব দেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের হাতেও এই ডিজিটাল ডিভাইস বা ট্যাব তুলে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।একই সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীও বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, বই প্রকাশের সঙ্গে বর্তমানে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও বাংলা একাডেমির সম্পৃক্ততা থাকলেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সরাসরি ভূমিকা কম।
আগামী বছর থেকে বইমেলা আয়োজনে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতিকে যুক্ত করার প্রস্তাব দেন তিনি। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে বইমেলা আয়োজনে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আর্থিক সহযোগিতা করবে বলেও জানান তিনি।অনুষ্ঠানে পুস্তক প্রকাশকরা প্রকাশনা খাতকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান। সেই সঙ্গে এই খাতের বিকাশে সরকারের নীতি সহায়তা ও স্বল্প সুদে ঋণ সুবিধার প্রত্যাশা করেন তারা।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন