সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিল শিক্ষা বোর্ড

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

জুন ১৭, ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম

এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা দিল শিক্ষা বোর্ড

আসন্ন উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষাকে সামনে রেখে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীদের জন্য একগুচ্ছ অত্যন্ত জরুরি নির্দেশনা জারি করেছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড। পরীক্ষা সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে এবং যেকোনো ধরনের অভিযোগ দ্রুত গ্রহণ করার লক্ষ্যে বোর্ডে একটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণ কক্ষ বা কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে। 

এর পাশাপাশি পরীক্ষাকেন্দ্রে সাধারণ ও বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার, এনালগ হাতঘড়ি পরিধান এবং কেন্দ্রে প্রবেশের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। বুধবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের দাপ্তরিক ওয়েবসাইটে এই সংক্রান্ত তিনটি পৃথক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পুরো বিষয়টি সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অবগতির জন্য জানানো হয়।চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ২ জুলাই থেকে দেশব্যাপী একযোগে শুরু হবে।

বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে পরীক্ষা চলাকালীন যেকোনো সমস্যা বা জরুরি প্রয়োজনে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা সরাসরি কন্ট্রোল রুমের নির্দিষ্ট ফোন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারবেন। শিক্ষার্থীরা সাধারণ গণনাকারী যন্ত্রের পাশাপাশি নির্ধারিত আটটি মডেলের নন-প্রোগ্রামেবল সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর এবং সাধারণ কাঁটাযুক্ত হাতঘড়ি ব্যবহার করার বিশেষ অনুমতি পাবেন। 

অনুমোদিত ক্যালকুলেটরের নির্দিষ্ট মডেলগুলোর তালিকায় এফএক্স-৮২এমএস, এফএক্স-১০০এমএস, এফএক্স-৫৭০এমএস, এফএক্স-৯৯১এমএস, এফএক্স-৯৯১ইএস, এফএক্স-৯৯১ইএক্স, এফএক্স-৯৯১ইএস প্লাস এবং এফএক্স-৯৯১সিডাব্লিউ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এগুলো ছাড়া অন্য কোনো ডিজিটাল বা স্মার্ট ডিভাইস পরীক্ষা কক্ষে নিয়ে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।পরীক্ষার দিন কেন্দ্রের আশপাশের সড়কগুলোতে তীব্র যানজট এড়ানো এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমানোর লক্ষ্যে পরীক্ষার্থীদের সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে। 

এ বিষয়ে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বোর্ডের পক্ষ থেকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পরীক্ষা কক্ষে আসন গ্রহণ সংক্রান্ত আগের সব নিয়ম ও আইনি নির্দেশনা যথারীতি বহাল থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে। পরীক্ষা সম্পূর্ণ নির্বিঘ্ন, নকলমুক্ত ও সুষ্ঠু পরিবেশে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে শিক্ষা বোর্ড ইতিমধ্যে তাদের যাবতীয় অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম ও তদারকি জোরদার করেছে।