রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জার্মান সুন্দরীর পোস্টে কোহলির লাইক, যা বললেন আমিশা

বিনোদন ডেস্ক

এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম

জার্মান সুন্দরীর পোস্টে কোহলির লাইক, যা বললেন আমিশা

বিতর্কের মুখে কোহলি

বিরাট কোহলির একটি সাধারণ ‍‍`লাইক‍‍` নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে নেট দুনিয়ায়। জার্মান মডেল লিজল্যাজের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলের একটি পুরনো পোস্টে ভারতীয় এই তারকা ক্রিকেটারের লাইক দেওয়াকে কেন্দ্র করেই নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসা মাত্রই নেটিজেনদের মধ্যে নানা ধরনের সমালোচনা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যে অসংখ্য ট্রল ও মিম ছড়িয়ে পড়েছে। অনেক নেটিজেন মজার ছলে লিজল্যাজের কমেন্ট বক্সে গিয়ে মন্তব্য করছেন। 

কেউ বিরাটের স্ত্রী আনুশকা শর্মার প্রসঙ্গ টেনে হাসি-ঠাট্টা করছেন, আবার কেউ একে স্রেফ অ্যালগরিদমের কারসাজি বা ভুলবশত দেওয়া লাইক হিসেবে দেখছেন। সাধারণ মানুষের এই বাড়তি আগ্রহ নিয়ে যখন বিতর্ক তুঙ্গে, তখনই এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন বলিউড অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেল।

সমালোচকদের এক হাত নিয়ে আমিশা প্যাটেল বিষয়টিকে স্রেফ ‘ডিজিটাল প্রশংসা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, কারো ছবি বা ভিডিও ভালো লাগলে লাইক দেওয়া কোনো বড় অপরাধ নয়। যারা বিষয়টি নিয়ে তিলকে তাল করছেন তাদের দিকে পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে অভিনেত্রী লেখেন, লাইক করা কি এখন মহাপাপ হয়ে গেছে? মানুষ কি আর কোনো কাজ খুঁজে পাচ্ছে না?

অভিনেত্রী মনে করেন, কারো সুন্দর কাজ দেখে প্রশংসা করা এক ধরনের সামাজিক সৌজন্যবোধ। একে বিরাটের ব্যক্তিগত জীবনের অস্থিরতা বা অন্য কোনো নেতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার সুযোগ নেই। নিন্দুকদের সমালোচনা করে আমিশা জানান, কিছু মানুষের কাজই হলো সারাদিন অন্যের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল স্ক্রল করা এবং অন্যের ব্যক্তিগত জীবনে উঁকি দিয়ে নেতিবাচকতা ছড়ানো। তার ভাষায়, লাইক দেওয়াটা আসলে একটি ডিজিটাল প্রশংসা পত্রের মতো।

তবে আমিশা প্যাটেলের এমন জোরালো অবস্থান নিয়েও নেটিজেনদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একদল তাকে সমর্থন জানিয়ে বলছেন যে সেলিব্রিটিদেরও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ থাকতে পারে। অন্যদলের দাবি, সাধারণ একটি লাইক নিয়ে অভিনেত্রীর এত সিরিয়াস হওয়ার বা প্রতিবাদ জানানোর কোনো প্রয়োজন ছিল না। সব মিলিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিরাট কোহলির সেই একটি লাইক এবং আমিশার মন্তব্য এখন বিনোদন জগতের অন্যতম চর্চিত বিষয়ে পরিণত হয়েছে।