সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি যুবরাজের অভিনন্দন

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ১০:৪৫ এএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি যুবরাজের অভিনন্দন

অভিনন্দন জানালেন সৌদি যুবরাজ

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন সৌদি আরবের প্রভাবশালী যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। আজ বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। এক অভিনন্দন বার্তায় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ব্যক্তিগত সাফল্য এবং বাংলাদেশি জনগণের অব্যাহত অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। 

সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে আসা এই উচ্চপর্যায়ের শুভেচ্ছা বার্তাটি দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অভিনন্দন বার্তায় যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠিত হওয়ায় বিশেষ শুভকামনা জানান। সৌদি আরব ও বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামীতে আরও সুদৃঢ় হবে এবং দ্বিপক্ষীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দুই দেশ একত্রে কাজ করবে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। 

আন্তর্জাতিক মহলে তারেক রহমানের এই অভিষেক ও গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর পক্ষ থেকে আসা সমর্থনকে নতুন সরকারের বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে প্রায় ৫০ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বিএনপি। জাঁকজমকপূর্ণ শপথ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। 

নতুন এই মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞদের পাশাপাশি তরুণ ও নতুন মুখদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শপথ গ্রহণের পরপরই প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু সচিবালয়ও তাকে বরণ করে নিতে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। দেশের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানদের এই ব্যাপক সাড়া সরকারকে বাড়তি গতি প্রদান করছে।

তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপির এই ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন ঘটেছে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে। ২৯৭টি আসনের ঘোষিত ফলাফলের গেজেট অনুযায়ী, বিএনপি এককভাবে ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৬৮টি আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বাকি আসনগুলোতে বিভিন্ন জোট ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হলো বিজয়ী প্রার্থীদের মধ্যে প্রায় ১৫০ জনই জীবনে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।