রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

খামেনির উত্তরসূরিদেরও হত্যার হুমকি দিল ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্চ ৮, ২০২৬, ০৩:১০ পিএম

খামেনির উত্তরসূরিদেরও হত্যার হুমকি দিল ইসরায়েল

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির সম্ভাব্য উত্তরসূরিদেরও হত্যার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী আইডিএফ। আজ রোববার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে ফার্সি ভাষায় করা একটি পোস্টে এই কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। 

সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ইরানের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের গতিবিধির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে ইসরায়েল। তারা কখন কোথায় মিলিত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করছেন, সেই সম্পর্কেও বিস্তারিত ও নির্ভুল তথ্য ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের হাতে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে সরাসরি বলা হয়েছে যে, খামেনির পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে যারাই দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, তাদেরকেও লক্ষ্যবস্তু করা হবে। এই প্রকাশ্য হুমকির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা এখন নতুন এক চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। 

এই পরিস্থিতির মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন যে, ইরানের সঙ্গে চলমান এই সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সর্বাত্মক সহায়তা করতে ইউরোপীয় দেশ ইতালি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। ইতালির একটি সংবাদপত্রকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দেশটির বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির নেতৃত্বের প্রশংসা করেন এবং তাকে একজন মহান নেতা হিসেবে অভিহিত করেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন যে, ইতালি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রকে কৌশলগত সহায়তা করতে যা যা করা সম্ভব তার সবকিছুই করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর আগে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি ঘোষণা করেছিলেন যে, ইরানের সম্ভাব্য হামলার মুখে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোকে সুরক্ষা দিতে ইতালি উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম পাঠানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। 

এরই ধারাবাহিকতায় ইতালীয় নৌবাহিনী জানিয়েছে যে, তারা ইউরোপীয় যৌথ নিরাপত্তা মিশনের অংশ হিসেবে একটি বিশেষ নৌযান সাইপ্রাসের উদ্দেশে পাঠানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। সামগ্রিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান ভূ-রাজনীতিতে ইসরায়েলের এই সরাসরি হুমকি এবং পশ্চিমা দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতা পুরো পরিস্থিতিকে আরও বেশি অনিশ্চিত ও জটিল করে তুলছে।