রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ইরান যুদ্ধ নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন এরদোয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্চ ১৩, ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম

ইরান যুদ্ধ নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন এরদোয়ান

এরদোয়ানের শান্তি বার্তা

তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান জানিয়েছেন যে ইরান কেন্দ্রিক চলমান সংঘাত ও সহিংসতা নিরসনে তুরস্ক জোরালো কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার আনকারায় জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসকে আতাতুর্ক আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে এরদোয়ান এই অনুষ্ঠানে বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে কূটনীতির গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। 

তিনি বলেন যে সংঘাত নয় বরং কূটনীতি ও সংলাপই হলো ন্যায্য এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পথ।ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানকে কেন্দ্র করে বর্তমানে যে কূটনৈতিক চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে তুরস্ক তা নিয়ে বেশ সজাগ। 

এরদোয়ান নিশ্চিত করেছেন যে পরিস্থিতির জটিলতা সত্ত্বেও তার দেশ অত্যন্ত ধৈর্য ও দৃঢ়তার সঙ্গে শান্তির প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের মহাসচিবের প্রশংসা করে এরদোয়ান বলেন যে ২০১৭ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আন্তোনিও গুতেরেস অত্যন্ত নিরপেক্ষতা ও প্রজ্ঞার সঙ্গে তার দায়িত্ব পালন করছেন। 

শরণার্থী সুরক্ষা এবং বিশ্বজনীন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুতেরেসের অবদানকে তুরস্ক অত্যন্ত সম্মানের সাথে দেখে। বিশেষ করে রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধের সময় গুতেরেসের শাটল কূটনীতির প্রশংসা করেন এরদোয়ান।শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় গুতেরেসের ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে তাকে আতাতুর্ক আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার দিতে পেরে এরদোয়ান নিজের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে আসন্ন রমজান মাস সমগ্র মানবজাতির জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। 

তুরস্কের বর্তমান বৈদেশিক নীতির মূল ভিত্তি হলো প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা গাজি মুস্তাফা কামাল আতাতুর্কের নির্দেশিত দেশে শান্তি ও বিশ্বে শান্তি নীতি। এই আদর্শকে কেন্দ্র করেই তুরস্ক বিশ্বজুড়ে যেকোনো দুর্যোগ বা মানবিক সংকটে সর্বশক্তি নিয়োগ করে। যেখানেই বিয়োগান্তক ঘটনা বা কান্না আছে সেখানেই তুরস্ক শান্তির বার্তা নিয়ে পাশে দাঁড়ায় বলে এরদোয়ান তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন।