সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্চ ২৭, ২০২৬, ০৯:২৮ এএম

জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে

জাপানে শক্তিশালী কম্পন

জাপানের বৃহত্তম দ্বীপ হনশুতে ৬ দশমিক ২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বৃহস্পতিবার রাতে সংঘটিত এই ভূমিকম্পের তথ্য নিশ্চিত করেছে জার্মানির ভূবিজ্ঞান গবেষণা সংস্থা জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিওসায়েন্সেস। আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভূমিকম্পটি জাপানের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত হনশু দ্বীপের বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুভূত হয়েছে। 

ভূবিজ্ঞানীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার গভীরে। গভীরতা কম হওয়ায় কম্পনের তীব্রতা বেশি অনুভূত হলেও এখন পর্যন্ত বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি কিংবা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত বুধবার স্থানীয় সময় রাত আটটা ৩১ মিনিটে জাপানে ৪ দশমিক ২ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। সেই ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ২০ কিলোমিটার গভীরে। 

পর পর দুই দিন এমন কম্পনের ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক বিরাজ করছে। তবে জাপানের আবহাওয়া ও ভূবিজ্ঞান বিভাগ নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। ভৌগোলিকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আগ্নেয় মেখলা বা রিং অব ফায়ার অংশে অবস্থানের কারণে জাপানে ভূমিকম্প একটি নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি মূলত প্যাসিফিক প্লেট এবং ফিলিপাইন সি প্লেটের সংযোগস্থল হওয়ার কারণে এখানে প্রায়ই ভূকম্পন অনুভূত হয়।

নিয়মিত ভূমিকম্প মোকাবিলা করার অভিজ্ঞতার কারণে জাপানের স্থাপত্যশৈলী এবং অবকাঠামোগত নির্মাণ পদ্ধতি বেশ উন্নত। দেশটির অধিকাংশ বাড়িঘর ও স্থাপনা এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যা মাঝারি থেকে উচ্চ মাত্রার ভূমিকম্পও সহনীয়ভাবে মোকাবিলা করতে সক্ষম। ফলে ৬ দশমিক ২ মাত্রার শক্তিশালী কম্পন হওয়া সত্ত্বেও প্রাথমিক তথ্যে বড় ধরনের কোনো অবকাঠামোগত ধসের সংবাদ পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য যে, এই ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্র উপকূলে কোনো সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো বার্তা পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উপকূলীয় এলাকার মানুষকে সতর্ক অবস্থানে থাকার পরামর্শ দিয়েছে।