রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

ভারত জুড়ে তোলপাড়, রাজনীতিতে ‌‌‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মে ২৩, ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম

ভারত জুড়ে তোলপাড়, রাজনীতিতে ‌‌‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’

ডিজিটাল মাধ্যমের একটি দৃশ্য

ভারতীয় রাজনীতিতে ব্যঙ্গবিদ্রূপকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এক অদ্ভুত প্ল্যাটফর্ম ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’ বা সিজেপি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে আন্তর্জাতিক গুমে নিখোঁজদের স্মরণ সপ্তাহে মানববন্ধন সন্তানের হাড় হলেও ফেরত চান মা , কোরবানি ঈদের ছুটি কমিয়ে ১ দিন করলো শুভেন্দুর সরকার। 

এক সপ্তাহেরও কম সময়ে ডিজিটাল দুনিয়ায় লাখ লাখ অনুসারী পেয়ে এটি এখন মূলধারার গণমাধ্যমেরও প্রধান আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে  আন্তর্জাতিক গুমে নিখোঁজদের স্মরণ সপ্তাহে মানববন্ধন সন্তানের হাড় হলেও ফেরত চান মা । 

এই আন্দোলনের নেপথ্যে রয়েছেন বোস্টন ইউনিভার্সিটির ছাত্র ও পলিটিক্যাল কমিউনিকেশন স্ট্র্যাটিজিস্ট অভিজিৎ দীপকে  আন্তর্জাতিক গুমে নিখোঁজদের স্মরণ সপ্তাহে মানববন্ধন সন্তানের হাড় হলেও ফেরত চান মা ]।ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সিজেপির গুগল ফর্মের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই হাজার হাজার সদস্য যুক্ত হয়েছেন।

ককরোচ জনতা পার্টি বা এই তেলাপোকা জনতা পার্টি কোনো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক দল নয়, বরং এটি তরুণদের হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশের একটি ব্যঙ্গাত্মক আন্দোলন। এর সদস্যপদের জন্য অলস, বেকার ও সারাক্ষণ অনলাইনে সক্রিয় থাকার মতো রসাত্মক শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি দলটির ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের ফলোয়ার সংখ্যা এক কোটি ছাড়িয়ে গেছে, যা ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টকেও টেক্কা দিয়েছে। 

অন্যদিকে আইনি দাবির প্রেক্ষিতে এক্স হ্যান্ডেলে সিজেপির দুই লাখ ফলোয়ারের অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে।গত সপ্তাহে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই মূলত এই আন্দোলনের সূত্রপাত।একটি মামলার শুনানি চলাকালে যুবকদের কর্মসংস্থানের অভাব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সক্রিয়তাকে তেলাপোকার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন আদালত। 

পরবর্তীতে তিনি এটি কেবল ভুয়া ডিগ্রিধারীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন বলে স্পষ্ট করলেও ততক্ষণে অনলাইনে ক্ষোভের জেরে এই ব্যঙ্গাত্মক দলের জন্ম হয়  আন্তর্জাতিক গুমে নিখোঁজদের স্মরণ সপ্তাহে মানববন্ধন সন্তানের হাড় হলেও ফেরত চান মা । ভারতের প্রায় ১৪০ কোটি জনসংখ্যার অর্ধেকই ৩০ বছরের নিচে, অথচ মূলধারার রাজনীতিতে তরুণদের প্রতিনিধিত্ব অত্যন্ত সীমিত। কর্মসংস্থানের অভাব, বৈষম্য ও ক্রমাগত মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে জেন-জি বা তরুণ প্রজন্মের সুপ্ত হতাশা প্রকাশের ভাষা হয়ে উঠেছে এই অভিনব ম্যাসকট আন্দোলন।

তথ্যসূত্র: বিবিসি