অক্টোবর ৩, ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
অফিস কিংবা স্কুল, প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গী হিসেবে লাঞ্চবক্স অবিচ্ছেদ্য। স্থায়িত্বের জন্য স্টেইনলেস স্টিল, লিক-প্রুফ সুবিধার জন্য কাচ এবং হালকা ওজনের কারণে শিশুদের কাছে প্লাস্টিকের টিফিনবক্স সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
কিন্তু ব্যবহারের পর সামান্য অবহেলায় এগুলো ব্যাকটেরিয়ার বংশবৃদ্ধির ক্ষেত্র হয়ে উঠতে পারে।
খাবারের অবশিষ্টাংশ, তেলের দাগ বা আর্দ্রতা জমে থাকলে কেবল পানি দিয়ে হালকা ধুয়ে ফেলা যথেষ্ট নয়। লাঞ্চবক্স সতেজ ও দুর্গন্ধমুক্ত রাখতে কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করা জরুরি। পাত্রে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বাসি খাবার ফেলে রাখলে কণাগুলো শুকিয়ে যায়, ফলে দাগ ও দুর্গন্ধ স্থায়ী রূপ নেয়। তাই ব্যবহার শেষে যত দ্রুত সম্ভব গরম পানি ও থালাবাসন ধোয়ার সাবান দিয়ে পাত্রটি ধুয়ে ফেলা প্রয়োজন। সস, তরকারি ও মসলার কারণে প্লাস্টিকের পাত্রে সহজেই দাগ বসে যায় এবং গন্ধ শোষিত হয়। প্রতিবার ব্যবহারের পর গরম পানির ব্যবহার এই ঝুঁকি কমায়।
দুর্গন্ধ বা জেদি দাগ দূর করতে বেকিং সোডা অত্যন্ত কার্যকর।
পাত্রের ভেতরে সামান্য বেকিং সোডা ছিটিয়ে তার ওপর গরম পানি ঢেলে দিতে হবে। এভাবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে আলতো করে ঘষে ধুয়ে ফেললে প্লাস্টিক, স্টিল ও কাচের পাত্রের দাগ উঠে যায়। দাগ খুব জেদি হলে বেকিং সোডা ও পানির মিশ্রণে একটি পেস্ট তৈরি করে নির্দিষ্ট স্থানে লাগিয়ে পরিষ্কার করা যায়। দুর্গন্ধ দূর করার আরেকটি কার্যকর উপাদান হলো সাদা ভিনেগার। পাত্রটি প্রায় ২০ মিনিটের জন্য গরম পানি ও ভিনেগারের দ্রবণে ভিজিয়ে রাখলে বাজে গন্ধ পুরোপুরি দূর হয়।
অনেকেই শুধু মূল পাত্রটি পরিষ্কার করেন, কিন্তু ঢাকনার কথা ভুলে যান।
ঢাকনার কোণা, খাঁজ এবং সিলিকনের সিলে খাবারের কণা সবচেয়ে বেশি আটকে থাকে। এগুলো পরিষ্কার করতে একটি ছোট ব্রাশ বা পুরোনো টুথব্রাশ ব্যবহার করা যেতে পারে। ধোয়ার পর পাত্রটি সংরক্ষণ করার আগে বাতাসে পুরোপুরি শুকিয়ে নেওয়া বাধ্যতামূলক। পানির দাগ এড়াতে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে নেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ।
নিয়মিত ভালোভাবে পরিষ্কার করলে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায় এবং পাত্রটি প্রতিদিনের ব্যবহারের জন্য নিরাপদ থাকে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন