রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

হাদিকে গুলি ও নির্বাচন কার্যালয়ে আগুন: পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ইসি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫, ০৯:১৪ পিএম

হাদিকে গুলি ও নির্বাচন কার্যালয়ে আগুন: পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে ইসি

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যাচেষ্টা এবং লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আগুনের ঘটনার পর পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশন বলছে, দুটি ঘটনাই বর্তমানে তদন্তাধীন।

আজ শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ এবং নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানান।

নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, কমিশন এই মুহূর্তে সমস্ত সিচুয়েশন অবজার্ভ করছে। তিনি বলেন,আপনারা (সাংবাদিক) হয়ত এইটা মনে করবেন।

যে যেহেতু তফসিলের পরপরই গুলির ঘটনা ঘটেছে এবং উনি একজন সম্ভাব্য প্রার্থী; কাজেই এটা হয়ত বা নির্বাচনের পরিবেশকে বা নির্বাচনকে ভন্ডুল করার একটা প্রচেষ্টা হতে পারে। এটা আপনাদের মত। কিন্তু আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে এখন কোনো কিছু বলব না।”রহমানেল মাছউদ এই ঘটনাকে আপাতত বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে মন্তব্য করে বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করে দেখুক, কে বা কারা জড়িত এবং তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল। এটা যদি বের হয়, তাহলেই কমিশন তাদের প্রতিক্রিয়া জানাবে। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাটিও পর্যবেক্ষণ করছেন বলে জানান।

জুলাই অভ্যুত্থানের মুখ শরিফ ওসমান বিন হাদির ওপর হামলার প্রেক্ষাপটে আজ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের প্রসঙ্গ টেনে নির্বাচন কমিশনার বলেন, “উনারা নিশ্চয় নির্দেশনা দেবেন।” পুলিশের জন্য ইসির কোনো আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা ছিল কিনা জানতে চাইলে কমিশনার জানান, এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো কথা কারও সঙ্গে বলা হয়নি, তবে পুলিশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, ওসমান হাদির ওপর গুলি নিয়ে গতকাল দুপুর থেকে পুলিশের সঙ্গে ইসির আলোচনা চলছে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানো গুজব ও মিথ্যা তথ্য নিয়ন্ত্রণ নিয়ে কমিশনার রহমানেল মাছউদ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। নতুন আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ) আইনে একটি সেকশন ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে নির্বাচনকে ঘিরে কেউ যদি ডিজিনফরমেশন বা মিসইনফরমেশন বা এআই জেনারেটেড মিথ্যা তথ্য প্রচার করে, তাহলে তাকে শাস্তি দেওয়া যাবে। তিনি বলেন, মিসইনফরমেশনগুলো ভালো ইনফরমেশন দিয়ে থামানোর ব্যবস্থা করা হবে।