সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

শহীদ ওসমান হাদির সমাধিস্তম্ভ লিপিতে যা লেখা আছে

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ০৭:৩৮ পিএম

শহীদ ওসমান হাদির সমাধিস্তম্ভ লিপিতে যা লেখা আছে

জুলাই বিপ্লবের অগ্রনায়ক ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদিকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ কমপ্লেক্সে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এক হৃদয়বিদারক পরিবেশে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।

দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর এই বিপ্লবীর কবরের ওপর একটি অস্থায়ী সমাধিস্তম্ভ লিপি স্থাপন করা হয়। যেখানে তাঁর আদর্শ ও আত্মত্যাগের সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে।

লিপিতে লেখা হয়েছে:আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি। (১৯৯৩-২০২৫)। শাহাদাত: ১৮ ডিসেম্বর-২০২৫।

দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের জানাজা শেষে হাদির মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্স যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছায়, তখন সেখানে উপস্থিত হাজারো মানুষ কান্নায় ভেঙে পড়েন। সহযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের ভিড় সামলাতে হিমশিম খেতে হয় প্রশাসনকে। অনেকে প্রিয় নেতার শেষ ছোঁয়া পেতে লাশবাহী গাড়ির ওপর উঠে পড়েন।৩৪ বছর বয়সী এই বিপ্লবীর মরদেহ কবরে নামান ‘আমার দেশ’ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, এনসিপির মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জিএস এস এম ফরহাদ এবং ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের।

এ সময় ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানসহ জুলাই বিপ্লবের প্রথম সারির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।দাফন শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন হাদির বড় ভাই আবু বকর সিদ্দিক। মোনাজাত চলাকালে উপস্থিত ভক্ত ও সহযোদ্ধাদের কান্নায় ঢাবির আকাশ-বাতাস ভারি হয়ে ওঠে। উপস্থিত জনতা অশ্রুসিক্ত নয়নে মহান আল্লাহর দরবারে হাদির শাহাদাত কবুলের জন্য দোয়া করেন। প্রিয় সহযোদ্ধাকে হারিয়ে যেন নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন জুলাইয়ের হাজারো বিপ্লবী।