রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

নির্বাচনী নিরাপত্তায় মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহীনি

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১০:০৩ এএম

নির্বাচনী নিরাপত্তায় মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহীনি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলতে আজ থেকেই রাজপথে নামছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে রবিবার থেকে আনসার বাহিনীর সদস্যদের মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক বিশেষ নির্দেশনায় জানানো হয়েছে যে এবারের নির্বাচনে মোট ৯ লাখের বেশি সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবেন। 

এরই মধ্যে নির্বাচনী অপরাধ দমনে ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেশজুড়ে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছেন। ভোটের দিন যত ঘনিয়ে আসছে নিরাপত্তা ব্যবস্থার কড়াকড়ি ততই বাড়ানো হচ্ছে যাতে সাধারণ ভোটাররা নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এবারের নির্বাচনে পুলিশ, বিজিবি, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি কোস্টগার্ডও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা দিতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ ব্যবস্থার অধীনে সশস্ত্র বাহিনীর ১ লাখ সদস্য ইতোমধ্যেই মাঠ পর্যায়ে অবস্থান নিয়েছেন। 

আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি সকালে অর্থাৎ ভোটের আগের দিন সারাদেশে আরও প্রায় ১ লাখ ৫৭ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। বাহিনীর এই বিশাল বহর মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কাজ করবে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলগুলোতে কোস্টগার্ডের বিশেষ টহল থাকবে এবং প্রতিটি বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার সরাসরি নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে।

ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ বিন্যাস সাজিয়েছে সরকার। মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরের সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬ থেকে ১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ থেকে ১৮ জন করে সশস্ত্র নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন থাকবে। দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত ২৫টি জেলার কেন্দ্রগুলোতেও একই ধরনের বাড়তি জনবল রাখা হবে। আনসার ও ভিডিপির প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ সদস্য মূলত কেন্দ্রভিত্তিক পাহারায় নিয়োজিত থাকবেন। 

র‍্যাব, এপিবিএন এবং আনসার ব্যাটালিয়ন সার্বক্ষণিক টহলের মাধ্যমে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকবে। ভোটগ্রহণের দুই দিন আগে থেকেই এই বিশাল বাহিনী তাদের নিজ নিজ জোনে পূর্ণ মাত্রায় মোতায়েন থাকবে যা ভোট শেষ হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।