ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬, ১০:৪৭ এএম
২০২৬ সালের (১৪৪৭ হিজরি) হজ মৌসুমকে সামনে রেখে আজ রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে হজ ভিসা ইস্যু করার প্রক্রিয়া শুরু করছে সৌদি আরব। দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে হজযাত্রীদের আগমন এবং আনুষঙ্গিক সেবাগুলো সহজতর করার লক্ষ্যেই এবার বেশ আগেভাগে ভিসা কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক হজযাত্রীদের জন্য মক্কা ও মদিনার পবিত্র স্থানগুলোতে প্রয়োজনীয় আবাসন ও সকল প্রকার সেবামূলক চুক্তি এরই মধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। সৌদি আরবের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘নুসুক’-এর মাধ্যমে আবাসন সংক্রান্ত সকল কার্যাদি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে দেশটির সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
তথ্যমতে এ পর্যন্ত সারাবিশ্ব থেকে প্রায় সাড়ে সাত লাখ হজযাত্রী তাদের নিবন্ধন সম্পন্ন করেছেন।বাংলাদেশি হজযাত্রীদের জন্য হজের ভিসা পাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নতুন ও কড়াকড়ি নিয়ম ঘোষণা করেছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
সরকারি ও বেসরকারি উভয় ব্যবস্থাপনায় নিবন্ধনকারী হজযাত্রীদের অবশ্যই সরকারি অনুমোদিত হাসপাতাল থেকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া নির্ধারিত কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণ করে ফিটনেস সনদ সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সৌদি সরকারের কঠোর নির্দেশনা অনুযায়ী ফিটনেস সনদ বা স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ছাড়া কোনো হজযাত্রী ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন না। ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে আগামী ২০ মার্চের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ভিসার আবেদন দাখিল করতে হবে। যারা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও ফিটনেস সনদ জমা দিতে পারবেন না তারা হজে অংশ নেওয়ার সুযোগ হারাবেন।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে হজযাত্রীদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য পবিত্র স্থানগুলোতে ৪৮৫টি বিশেষ ক্যাম্প বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৭৩টি হজ অফিস তাদের প্রাথমিক প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় সমন্বয় কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৮ এপ্রিল থেকে হজযাত্রীদের নিয়ে হজের প্রথম ফ্লাইট সৌদি আরবের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে। সুষ্ঠু হজ ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও হজ এজেন্সিগুলো হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ এবং আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি দ্রুত শেষ করার ওপর জোর দিচ্ছে।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন