মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৪:৫৩ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, বাংলাদেশের সংবিধান সংস্কারের ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা এবং ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের আকাঙ্ক্ষাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হবে। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতার মাধ্যমে স্বাক্ষরিত জুলাই জাতীয় সনদকে ভিত্তি হিসেবে ধরে যাবতীয় সংশোধনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
শনিবার রাজশাহীর সারদায় অবস্থিত বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ৪৩তম বিসিএস পুলিশ ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
সংবিধানে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এই ধরনের সুনির্দিষ্ট বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে একটি সংবিধান সংস্কার কমিটি গঠন করা হবে। ওই কমিটি সব অংশীজনের সাথে বিস্তারিত আলাপ-আলোচনা করে সুপারিশ প্রদান করবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, জুলাই জাতীয় সনদে স্বীকৃত বিষয়গুলোকেই সংবিধান সংশোধন কমিটি তাদের খসড়ায় সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেবে। পরবর্তীতে জাতীয় সংসদে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় পাঠের মাধ্যমে আলোচনার ভিত্তিতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।এর আগে নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের ইউনিফর্ম কেবল ক্ষমতার প্রতীক নয় বরং এটি দায়িত্ব, ত্যাগ এবং সেবার প্রতিফলন।
তিনি নতুন কর্মকর্তাদের সততা, সাহস ও মানবিকতার সাথে দেশ ও জনগণের কল্যাণে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান। এই পেশাগত জীবনের শুরুতে তিনি কর্মকর্তাদের নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেন। অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির এবং বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল জি এম আজিজুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী ৪৩তম বিসিএস ব্যাচের সদস্যদের সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্তিতে অভিনন্দন জানিয়ে তাদের পেশাগত জীবনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন