রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিকায়ন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

মে ৯, ২০২৬, ০১:৩৮ পিএম

শিক্ষাব্যবস্থা আধুনিকায়ন করতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

চীন দূতাবাস এবং চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে ‘চায়না-বাংলাদেশ এডুকেশন কো-অপারেশন ফোরাম-২০২৬’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। শিক্ষামন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করেছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের জিডিপির ৫ শতাংশ এই খাতে বরাদ্দের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে সিলেবাস, কারিকুলাম এবং একাডেমিক ক্যালেন্ডার পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার মান উন্নত করতে হলে সবার আগে শিক্ষকদের মানোন্নয়ন প্রয়োজন। 

এ লক্ষ্যে সাধারণ ও কারিগরি শিক্ষকদের উন্নত প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের আগামী দিনের যোগ্য নেতৃত্ব হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্কের সেতুবন্ধ আরও সুদৃঢ় করতে শিক্ষাকেই মূল উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করতে চায় সরকার। অনুষ্ঠান শেষে তিনি শিক্ষা ও প্রযুক্তিবিষয়ক একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন এবং বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই ফোরামে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আব্দুল খালেক। এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মামুন আহমেদ, বুয়েটের উপাচার্য ড. এ বি এম বদরুজ্জামান এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মঈনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একাধিক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই সমঝোতা স্মারকগুলোর মাধ্যমে দেশের কারিগরি ও সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন গতির সঞ্চার হবে। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে নতুন কারিকুলাম ও একাডেমিক ক্যালেন্ডার চূড়ান্ত করার কাজ শুরু করেছে।