সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
গ্যাস বিস্ফোরণ

দরজা-জানালা বন্ধ থাকায় ভয়াবহতা বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত

জাতীয় ডেস্ক

মে ১০, ২০২৬, ০৩:০৪ পিএম

দরজা-জানালা বন্ধ থাকায় ভয়াবহতা বেড়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত

দগ্ধদের দেখছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাখাওয়াত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের সদস্যদের দেখতে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে গেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন। রোববার (১০ মে) দুপুর ১২টার দিকে তিনি বার্ন ইনস্টিটিউটে যান। এ সময় দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, গৃহকর্তা গ্যাস লাইট দিয়ে আগুন জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গে পুরো ঘরে আগুন ধরে যায়। এতে পরিবারের সবাই দগ্ধ হন। এই ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক ও বেদনাদায়ক বলে উল্লেখ করেন তিনি। শিশুসহ পরিবারের পাঁচজন দগ্ধ হয়েছেন এবং তাদের সবারই শ্বাসনালী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রাথমিক তথ্যের বরাতে মন্ত্রী বলেন, বিস্ফোরণের সময় বাসার দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল। বর্তমানে দগ্ধদের সর্বাত্মক চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। 

দগ্ধদের চিকিৎসায় কোনো প্রকার আর্থিক সমস্যা হলে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।গ্যাস সিলিন্ডার ও লাইনের গ্যাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে সচেতনতার অভাবের কথা উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বহুবার টেলিভিশনের মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করা হয়েছে। যারা সিলিন্ডার ব্যবহার করেন, তাদের সিলিন্ডার বাসার বাইরে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। 

পাশাপাশি কোথাও কোনো গ্যাসের লিকেজ আছে কি না, তা আগে থেকেই পরীক্ষা করে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।সরকারি লাইনের গ্যাস ব্যবহারকারীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সংযোগ নেয়ার সময় ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখতে হবে কোথাও লিকেজ আছে কি না। এছাড়া দরজা-জানালা খুলে এরপর গ্যাসের চুলা জ্বালানোর পরামর্শ দেন তিনি।

সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা করা হবে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অনেক পরিবার চুলার নিচে সিলিন্ডার রেখে দেয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে বারবার প্রচার চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির মাধ্যমে গ্যাস লাইনের লিকেজ পরীক্ষা করার কথাও বলেন তিনি।