জুন ১৫, ২০২৬, ১১:২২ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর তথ্যবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান গতকাল রোববার দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন। এয়ার ইন্ডিয়ার ফ্লাইটে ঢাকা থেকে পৌঁছানোর পর ইমিগ্রেশন ডেস্কে দীর্ঘ সময় তাকে আটকে রাখা হয়। বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা তার ব্যক্তিগত বৃত্তান্ত যাচাইয়ের নামে দীর্ঘ সময়ক্ষেপণ করেন, যা শেষ পর্যন্ত তাকে দেশে ফেরার সিদ্ধান্তে বাধ্য করে।
দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ তাকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন।ইমিগ্রেশন কর্মকর্তা ১৫ মিনিট ধরে কোনো কথা না বলে উপদেষ্টার নথিপত্র পরীক্ষা করেন এবং পরে তার আঙুলের ছাপ ও আইরিশ স্ক্যান নেওয়া হয়। দিল্লির ইমিগ্রেশন বিভাগের নথিতে তাকে ‘বারড’ বা ‘ওয়াচলিষ্টে’র অন্তর্ভুক্ত হিসেবে দেখানো হয়েছিল।
এই পরিস্থিতির সুরাহা করতে হাইকমিশনার ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তবে ততক্ষণে অপমানজনক পরিস্থিতিতে পড়ে উপদেষ্টা নিজেই দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
পরে ভারতীয় কর্মকর্তারা তাকে প্রবেশের ছাড়পত্র দিলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, অতীতের কোনো ঘটনার জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে তাকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি করা হয়েছিল। বিমানবন্দরে উপস্থিত অন্যান্য দেশের যাত্রীদের সামনে এই ঘটনা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ওপর এক ধরনের চাপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।ঘটনার পর থেকে ঢাকার উচ্চপর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। কূটনৈতিক অঙ্গনে এই অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন