রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রী

এক বছরের মধ্যে ৪০ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে : প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

জুন ১৭, ২০২৬, ০৩:০৭ পিএম

এক বছরের মধ্যে ৪০ লাখ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পাবে : প্রধানমন্ত্রী

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের অন্তত ৪০ লাখ দরিদ্র ও প্রান্তিক পরিবারের কাছে সরকারি ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড সফলভাবে তুলে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ঐতিহ্যবাহী ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। 

তিনি বলেন যে তাঁর দলের মূল রাজনীতিই হচ্ছে যেকোনো সংকটে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং দেশকে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে নেওয়া। বর্তমান জনকল্যাণমুখী সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের ভাগ্যের ইতিবাচক পরিবর্তন করতে বদ্ধপরিকর বলে তিনি স্পষ্ট জানান।মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির তৃতীয় ধরনের এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে সমালোচনা ও বিরোধিতা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যারা এই বাজেটকে গণবিরোধী হিসেবে আখ্যায়িত করে তারা কখনো জনগণের প্রকৃত বন্ধু হতে পারে না। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ রেখে যে বিশেষ বাজেট পেশ করা হয়েছে তাকে কিছু মানুষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তুচ্ছ করার চেষ্টা করছে। 

যে বাজেটে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে অন্তত ৬০টি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি শুল্ক সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয় সেটির যারা সংসদে ও সংসদের বাইরে বিরোধিতা করে তাদের ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। জনগণের এই ভাগ্য উন্নয়ন পরিকল্পনার টাকার উৎস নিয়ে যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন যে জনগণের ট্যাক্সের টাকাই সুশাসনের মাধ্যমে জনগণের সেবায় ফেরত দেওয়া হবে।সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের সংকটময় মুহূর্তেও কখনো জনগণকে ছেড়ে যাননি উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন যে এই দেশই তাঁদের শেষ ঠিকানা। 

অতীতে দেশের মানুষের কষ্টার্জিত টাকা যেভাবে বিদেশে পাচার হয়েছে সেই পথ এখন সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়েছে এবং পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তোলার তাগিদ দেন তিনি। এই জনসভায় যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে বিশেষ বিমানে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান এবং সেখান থেকে সড়কপথে সরাসরি মৌলভীবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। বৈরী আবহাওয়া ও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে সকাল থেকেই শ্রীমঙ্গল ও এর আশপাশের এলাকার হাজার হাজার চা শ্রমিক ও সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ এই জনসভাস্থলে ভিড় জমান।