জুন ১৭, ২০২৬, ০৮:২৩ পিএম
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব রোধে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতি বরদাশত করা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই জীবনরক্ষাকারী টিকা কার্যক্রমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে অবহেলার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন ও বিধি অনুযায়ী কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে জামালপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বাবুলের এক প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা এই কড়া হুঁশিয়ারি দেন।
ওই সংসদ সদস্য দেশজুড়ে পাঁচ শতাধিক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা উল্লেখ করে এর পেছনে থাকা প্রকৃত কারণ ও সরকারের পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চেয়েছিলেন।সরকার বর্তমানে দেশের এই হামের প্রাদুর্ভাব রোধে সর্বোচ্চ নীতিগত গুরুত্ব প্রদান করছে।প্রধানমন্ত্রীর তথ্যমতে জানা গেছে যে টিকা সংগ্রহ পদ্ধতিতে কোনো বিশেষ পরিবর্তনের ফলে সামগ্রিক টিকাদান কার্যক্রমে কোনো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে কি না তা সুনির্দিষ্ট উপাত্তের ভিত্তিতে গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হবে।
বর্তমানে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি বা ইপিআইয়ের আওতায় টিকা সংগ্রহ, যথাযথ সংরক্ষণ ও বিতরণ কার্যক্রম সম্পূর্ণ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করেই সম্পাদিত হয়ে থাকে। ভবিষ্যতে এই ধরনের মহামারি পরিস্থিতি এড়াতে সরকার ইতিমধ্যে টিকা সরবরাহ ব্যবস্থার ধারাবাহিকতা নিশ্চিতকরণ ও মজুত ব্যবস্থাপনা জোরদার করার কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে। রোগের সঠিক নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং দ্রুত প্রাদুর্ভাব শনাক্তকরণ ব্যবস্থা আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী করা হয়েছে।
সারাদেশে হামের টিকাদানের আওতা বাড়ানো এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতায় আনতে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম বর্তমানে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় রয়েছে। এর পাশাপাশি জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অংশীজনদের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় সুদৃঢ় করার কাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে। রোগটির বিস্তার এবং টিকাদান কার্যক্রমের ওপর বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ের প্রভাব নিয়মিতভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রী সংসদকে আশ্বস্ত করেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন