জুন ২১, ২০২৬, ০২:৩৪ পিএম
ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি থেকে বের হতে দুই বছর সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। রোববার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই অবস্থানের কথা পরিষ্কারভাবে জানান। দেশের চলমান সংকট কাটিয়ে উঠতে নীতি নির্ধারকেরা বিভিন্ন ধরনের বিকল্প অর্থায়ন নিয়ে এখন গভীরভাবে ভাবছেন।
ঋণ নেওয়ার ক্ষতিকর প্রবণতা থেকে বর্তমান সরকার ক্রমান্বয়ে বের হয়ে আসতে চায়।আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট নিখুঁত করতে সরকারের বিভিন্ন বিভাগ এখন নানা দিক থেকে বিশদ পর্যালোচনা চালাচ্ছে। করের আওতা বাড়াতে দেশের সাধারণ মানুষকে অল্প টাকা দিয়ে হলেও করের নেটের মধ্যে আসতে হবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তবে এই নতুন কর ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ নাগরিকদের মনে ভয়ের কোনো কারণ নেই বলে তিনি সবাইকে আশ্বস্ত করেন।
সাবেক সরকারের রেখে যাওয়া বিশাল ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে বর্তমান প্রশাসনকে প্রতিটি খাতে কাজ করতে হচ্ছে। এই কারণে আগামী অর্থবছরের বাজেটটি শতভাগ পারফেক্ট করা সম্ভব হচ্ছে না বলে অর্থমন্ত্রী নিজের সীমাবদ্ধতার কথা স্পষ্ট করেন। বিগত আমলের কর্তাব্যক্তিরা নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থে ১ হাজার ৩০০টি উন্নয়ন প্রকল্প তৈরি করেছিলেন যার একটি বড় অংশ বর্তমান সরকার বাতিল করেছে।
বাতিল হওয়া ওই প্রকল্পগুলোর মধ্যে অনেক কাজ ৬০ থেকে ৮০ শতাংশ সম্পন্ন হলেও তা সাধারণ মানুষের কোনো বাস্তব কাজে আসছে না। স্থানীয় ব্যাংক থেকে ১১ থেকে ১৩ শতাংশ উচ্চ সুদে অর্থ নিয়ে বেসরকারি খাতের পক্ষে টিকে থাকা অসম্ভব এবং সরকারের জন্যও এই ব্যাংক খাত থেকে টাকা নেওয়া কষ্টদায়ক।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন