আগস্ট ৫, ২০২৬, ০১:১২ এএম
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবিত সংবাদ সম্মেলন এবং তার বক্তব্য প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। ভারতের রাজধানী দিল্লিতে তার এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার ঘোষণা আসার পর থেকে সামাজিক মাধ্যমে পাল্টাপাল্টি প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। দুই বছর আগে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই তিনি ভারতে অবস্থান করছেন এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছে।
আওয়ামী লীগের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তার প্রত্যাবর্তনের ঘোষণার পর এই আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে।সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে আদালতের নিষেধাজ্ঞার কথা মাথায় রেখে কেউ যেন তার বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রচার না করে, সে বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এই সতর্কবার্তার কথা জানান।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম স্পষ্ট করেছেন যে শেখ হাসিনার বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচারে যে ট্রাইব্যুনালের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা কেবল গণমাধ্যম নয় বরং সামাজিক মাধ্যমের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য হবে।তবে আওয়ামী লীগের নেতারা মনে করছেন যে এই ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়ে নেত্রীর বক্তব্য প্রচার ঠেকানো সম্ভব হবে না।উল্লেখ্য যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশন দলটির নিবন্ধন স্থগিত করেছে।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন