মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬,

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে কবে জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

জাতীয় ডেস্ক

আগস্ট ২৫, ২০২৬, ০৯:১৩ পিএম

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে কবে জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ছবি : সংগৃহীত

দেশের শিল্প-কারখানা এবং গৃহস্থালি খাতে জ্বালানি নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা এবং বৈশ্বিক নানা সংকটের কারণে গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা তৈরি হলেও তা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। দেশের নিজস্ব প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নতুন কূপ অনুসন্ধানের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা সার্বিক পরিস্থিতি নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে দেশবাসীকে অবহিত করছেন।

দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রায় দুই বছর সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানী ঢাকার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি এই তথ্য জানান। 

উপদেষ্টা বলেন যে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম অত্যন্ত চড়া এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সহজে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। মধ্যপ্রাচ্যের চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মতো বৈশ্বিক সংকটগুলো দেশের জ্বালানি খাতের ওপর চাপ সৃষ্টি করলেও সরকার পরিস্থিতি গুরুত্বের সঙ্গে মোকাবিলা করছে। তবে এই দুই বছর সময় লাগার অর্থ এই নয় যে দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি আরও অবনতির দিকে যাবে, বরং ক্রমান্বয়ে অবস্থার উন্নতি ঘটবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পূর্ববর্তী সরকারের আমলের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি জানান যে ওই সময়ে স্থলভাগে নতুন করে গ্যাস অনুসন্ধানের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি এবং বর্তমানের মতো বৈশ্বিক সংকটের মুখোমুখিও হতে হয়নি। উদ্ভূত এই জ্বালানি সংকট নিরসনে দেশীয় উৎস থেকে প্রায় এক হাজার সাতশ পঞ্চাশ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে দেড় শতাধিক নতুন কূপে খনন ও পুনঃখননের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। একই সঙ্গে ভোলা থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দ্রুত গ্যাস নিয়ে আসার কাজও চলমান রয়েছে, যা অদূর ভবিষ্যতে দেশের সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।