শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬,

‍‍`শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি মনে রাখবে‍‍` বললেন প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় ডেস্ক

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২৬, ০৬:৩৬ পিএম

‍‍`শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি মনে রাখবে‍‍` বললেন প্রধানমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তেজগাঁওয়ে তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে ট্যাংক মহড়ায় গোলা বিস্ফোরণে শহীদ দুই সেনাসদস্যের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যরা। মঙ্গলবার সকালে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রী তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং পরিবারের হাতে আর্থিক সহায়তার চেক হস্তান্তর করেন। একই সাথে শহীদদের পরিবারের দায়িত্ব গ্রহণে সরকার ও সেনাবাহিনী সব সময় পাশে থাকবে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

কর্তব্যরত অবস্থায় সেনাসদস্যদের এই আত্মত্যাগকে জাতি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। নিহতদের স্বজনদের সান্ত্বনা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার মহান দায়িত্ব পালনকালে প্রাণ উৎসর্গ করে তাঁরা বীরের মর্যাদা পেয়েছেন। সরকার শুধু তাৎক্ষণিক সহায়তা দিয়েই দায়িত্ব শেষ করবে না, বরং এই পরিবারের যেকোনো প্রয়োজনে দীর্ঘমেয়াদে অভিভাবকত্ব নিশ্চিত করবে।

শহীদ পরিবারের টেকসই পুনর্বাসনে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে একাধিক দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা জানানো হয়েছে। উভয় সেনাসদস্যের স্থায়ী ঠিকানায় পরিবারের জন্য পৃথকভাবে একটি করে পাকা বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি শহীদদের স্ত্রীদের যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির ব্যবস্থা এবং সন্তানদের জন্য নিয়মিত মাসিক শিক্ষা ও জীবনযাত্রার ভাতা প্রদানের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়।

গত ৯ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের হাটহাজারী ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে নিয়মিত ট্যাংক ফায়ারিং অনুশীলনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত গোলা বিস্ফোরণে শহীদ হন সৈনিক (অপারেটর) আবু বকর সিদ্দিক এবং সৈনিক (গানার) মো. তাসনিম রিফায়াত।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এই সাক্ষাত অনুষ্ঠানে শহীদ আবু বকর সিদ্দিকের পরিবারের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুরাইয়া আক্তার জুতি, শিশুকন্যা ফাতেমা সিদ্দিকা, বাবা আব্দুল ওহাব এবং মা পারভীন আক্তার। অন্যদিকে শহীদ মো. তাসনিম রিফায়াতের পরিবারের পক্ষে তাঁর স্ত্রী মোসা. ফাহমিদা আফরিন, শিশুকন্যা রাফসা তাসনিম ইফরা এবং বাবা মো. আসাদুল হক অংশ নেন।