সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
তুরস্কে অনুষ্ঠাতব্য আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন কপ৩১ সামনে রেখে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের বাস্তবতা ও দাবিগুলো বাংলাদেশের জাতীয় নীতিতে অন্তর্ভুক্ত করার জোর আহ্বান জানিয়েছেন দেশের শতাধিক তরুণ জলবায়ুকর্মী। এ লক্ষ্যে তারা একটি সুনির্দিষ্ট ২০ দফা সনদ ঘোষণা করেছেন। একই সঙ্গে ৬৪ জেলার তরুণদের দাবি এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মানুষের সরাসরি অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা যুব জলবায়ু অবস্থানপত্র ২০২৬ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত এ কে মিলনায়তনে এই সনদ উন্মোচন করা হয়। অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ ও ব্রাইটার্স-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত চার দিনব্যাপী বাংলাদেশ ইয়ুথ কপ ২০২৬-এর সমাপনী অধিবেশনে এই ঘোষণা আসে। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ও কূটনীতিকরা বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে বাংলাদেশের সংকট তুলে ধরার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন। সমাপনী পর্বে বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জলবায়ু, পরিবেশ ও আন্তঃসীমান্ত পানিসম্পদ অনুবিভাগের মহাপরিচালক কাজী এহসানুল হক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নীতিগত সহায়তা নিয়ে কথা বলেন। আন্তর্জাতিক অংশীদারদের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুজান রাইল, ডেনিশ দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন অ্যান্ডার্স বি. কার্লসেন এবং মালদ্বীপের হাই কমিশনার শিউনীন রশিদ। পুরো আয়োজনের সমন্বয় ও সঞ্চালনায় ছিলেন অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ্ কবির। তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি ও অধিকার আদায়ের বার্তা জোরালোভাবে পৌঁছানোর ওপর বিশেষ জোর দেন।
চার দিনের এই ধারাবাহিক কর্মসূচি শুরু হয়েছিল গত ১৯ সেপ্টেম্বর।
সেদিন পুলিশ প্লাজা থেকে গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম বাংলাদেশ পর্যন্ত একটি পদযাত্রার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। এরপর ২০ সেপ্টেম্বর নির্ধারিত বিষয়ভিত্তিক কৌশলগত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তী দিন ২১ সেপ্টেম্বর বিশ্বের গবেষকদের যুক্ত করে আন্তর্জাতিক অনলাইন আলোচনার আয়োজন সম্পন্ন করে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে মঙ্গলবার আয়োজিত হয় মূল ও সমাপনী এই সম্মেলন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন