নভেম্বর ৬, ২০২৬, ০৭:৩৫ পিএম
১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ ছিল বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক বাংলাদেশের আগামী নির্মাণের প্রেরণা ও পাথেয়। ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে এই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। দিবসটি উপলক্ষ্যে সরকার ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষ থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে দেশের সিপাহি-জনতা ঐক্যবদ্ধভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে সব চক্রান্ত রুখে দিয়েছিল। দেশের ইতিহাসে এই দিনটি ছিল শত্রু-মিত্র চিহ্নিত করার দিন।
ভবিষ্যতের পথ রচনায় ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশকে তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে চেয়েছিল এবং সেনাবাহিনীর গৌরব ভূলুণ্ঠিত করতে চেয়েছিল, সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মাধ্যমে তাদের পরাজয় ঘটেছিল।
ইতিহাসের বিভিন্ন অধ্যায়ের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের যুদ্ধ ছিল স্বাধীনতা অর্জনের, আর ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থান ছিল দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার লড়াই। যেভাবে ১৯৭১ এবং ১৯৭৫ সালে মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করেছিল, ঠিক একইভাবে ২০২৪ সালেও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে দেশ মুক্ত হয়েছে।
ভবিষ্যতে আর কেউ যেন দেশের অধিকার হরণ করতে না পারে, সেজন্য জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সমুন্নত রাখতে ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে প্রাণে ধারণ করতে হবে।
ঐতিহাসিক এই দিনে দেশপ্রেমিক জনগণের দীপ্ত উচ্চারণ হোক—দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ। জাতীয়ভাবে ৭ নভেম্বর উদ্যাপন উপলক্ষে সব কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেছেন তিনি।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন