নভেম্বর ২১, ২০২৫, ১০:১৮ এএম
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সব প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দুর্বিপাকের সময় সশস্ত্র বাহিনীর বলিষ্ঠ ভূমিকা এ বাহিনীকে জাতির আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে। সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও সশস্ত্র বাহিনীর এই ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে দেওয়া বাণীতে তারেক রহমান বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সব সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
তিনি সশস্ত্র বাহিনীর সব সদস্য ও তাদের পরিবারের সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করেন এবং দিবসে তাদের সার্বিক সাফল্য, উন্নতি ও অগ্রগতি কামনা করেন।
একইসঙ্গে তিনি স্বাধীনতাযুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর আত্মদানকারী শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করেন।বিএনপি নেতা বলেন, ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী গঠিত হয়েছিল। এ কারণে মুক্তিযুদ্ধের অগ্রযাত্রা ও বিজয়ের স্মারক হিসেবে প্রতি বছর ২১ নভেম্বর দিনটি সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। তিনি সশস্ত্র বাহিনীকে নির্ভীক সাহসিকতা, শৌর্য এবং সংকল্পবদ্ধ শৃঙ্খলা দিয়ে তৈরি জাতির এক গর্বিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, একাত্তরের রণাঙ্গনে এই বাহিনীর অসীম সাহসী ভূমিকা ইতিহাসের এক উজ্জ্বল অধ্যায়। আমাদের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীর দেশপ্রেমিক সদস্যরা অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে চলেছেন। বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও প্রশংসনীয় করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
তারেক রহমান বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক সেনাপ্রধান শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সংগতি রেখে একটি প্রযুক্তিনির্ভর, গতিশীল ও দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছিলেন। তিনিই বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকে সুশিক্ষিত ও পেশাদার বাহিনীতে পরিণত করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন, শহীদ জিয়ার সময় থেকেই বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী সুশৃঙ্খল, ক্ষিপ্র ও সদা তৎপর এক আধুনিক বাহিনীতে পরিণত হয়, যা বিশ্বের যে কোনো আধুনিক রাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর সমকক্ষ।
একইভাবে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সশস্ত্র বাহিনীকে আরও আধুনিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলেন, যা বৈশ্বিক পরিসরে ব্যাপক অবদান রাখে। তিনি ভবিষ্যতেও এই প্রয়াস অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারেক রহমান মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সাত বীরশ্রেষ্ঠসহ সব শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাও জ্ঞাপন করেন এবং সশস্ত্র বাহিনী দিবসের সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।



দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন