সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,

খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা নিয়ে সিদ্ধান্ত রাতে জানাবে মেডিকেল বোর্ড

দিনাজপুর টিভি ডেস্ক

ডিসেম্বর ৬, ২০২৫, ১১:৩৮ এএম

খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রা নিয়ে সিদ্ধান্ত রাতে জানাবে মেডিকেল বোর্ড

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি এখন সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে তার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা এবং চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তের ওপর। বেগম জিয়াকে গত শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) ভোরে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নেওয়ার কথা থাকলেও কাতার আমিরের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে কারিগরি ত্রুটি থাকার কারণে সেটি ঢাকায় পৌঁছাতে পারেনি।

এই পরিস্থিতিতে আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকালে বিএনপির মিডিয়া সেলের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করবে লন্ডন নেওয়ার সিদ্ধান্ত এবং মেডিকেল বোর্ড সে বিষয়ে রাতে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।

সূত্রটি আরও জানায়, জার্মানি থেকে কাতারের ব্যবস্থাপনায় যে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি আসার কথা ছিল, সেটি আগামীকাল রোববার (০৭ ডিসেম্বর) ঢাকায় পৌঁছাতে পারে।

জানা গেছে, সবকিছু ঠিক থাকলে খালেদা জিয়াকে ভর্তি করা হবে লন্ডনের অত্যাধুনিক লন্ডন ব্রিজ হাসপাতালে। আর লন্ডনের এই চিকিৎসাযাত্রায় তার সঙ্গী হতে গতকাল শুক্রবার সকালেই ঢাকায় এসে পৌঁছেছেন পুত্রবধূ ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।এর আগে শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম মহসিনের তত্ত্বাবধানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার এন্ডোসকপি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আল মামুন।

মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শেই শুক্রবার বিকেলে খালেদা জিয়ার এন্ডোসকপি সম্পন্ন হয় এবং এন্ডোসকপির মাধ্যমে তার পাকস্থলীর ভেতরের রক্তক্ষরণ বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে। চিকিৎসক দলের ওই সদস্য বলেন, এন্ডোসকপির পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়েছে পর্যাপ্ত সতর্কতার সঙ্গে। এদিকে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিতে কাতার সরকার জার্মানির একটি প্রতিষ্ঠানের এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ঢাকায় পাঠাচ্ছে।

এটি জর্জিয়ার তিবলিসি থেকে ঢাকায় আসবে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন খালেদা জিয়া। তার শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক বলে চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে বিএনপির নেতারা জানিয়েছেন। জাতীয় রাজনীতির এই নেত্রীর জীবন এখন চিকিৎসার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।