ডিসেম্বর ৮, ২০২৫, ০৮:৩৪ পিএম
গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বা ফ্যাসিবাদবিরোধী অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আসন্ন নির্বাচনি জোট করার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তিনি জানান।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরে তারা বিএনপিসহ অন্যান্য দলের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। সোমবার (৮ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ঝিনাইদহ সদর উপজেলার গোয়ালপাড়া বাজারে গণসংযোগ শেষে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন।
এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি জোরালোভাবে ইঙ্গিত দিলেন যে, আন্দোলনের ক্ষেত্রে ঐক্য থাকলেও নির্বাচনি কৌশল চূড়ান্ত করতে আরও সময় নেবে তার দল।
রাশেদ খাঁন নিশ্চিত করেন যে, বিএনপির ৩১ দফা কর্মসূচির সঙ্গে গণঅধিকার পরিষদসহ ফ্যাসিবাদ বিরোধী দলগুলো নীতিগতভাবে একমত হয়েছে। তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী এই লড়াইয়ে আমরা শুরু থেকেই বিএনপির সঙ্গে এক হয়ে মাঠে ছিলাম। তবে নির্বাচনে জোট গঠনের বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদ ও বিএনপির মধ্যে আলাপ-আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনো ঘোষণা এখনো আসেনি। ঝিনাইদহ-২ আসনকে কেন্দ্র করে নিজের নির্বাচনি তৎপরতা নিয়ে তিনি বলেন, আমি বর্তমানে আমার নির্বাচনি এলাকার ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি এবং প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি।
একই সঙ্গে আমরা মাঠ পর্যায়ে নানাভাবে জরিপ করার চেষ্টা করছি, যাতে গণঅধিকার পরিষদের জনপ্রিয়তা কেমন হয়েছে সেই বিষয়ে একটি বাস্তব চিত্র পর্যবেক্ষণ করা যায়।জোটের সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, বিএনপির সঙ্গে যদি গণঅধিকার পরিষদের জোট হয়, তাহলে জোটের প্রার্থীদের বিষয়ে বিএনপি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত নেবে। বিএনপির কর্মী ও ভোটাররা কীভাবে জোটের প্রার্থীকে সহায়তা করবে, সেই বিষয়টি বিএনপিই পর্যবেক্ষণ করবে।
তবে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন যে, তারেক রহমান কাউকে জোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার পরে বিএনপির কোনো নেতাকর্মী সেটার বিরোধিতা করবে না। তিনি ব্যক্তিগত হৃদ্যতার কথা উল্লেখ করে বলেন, আমার নিজ এলাকার বিএনপির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও আমার হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় আছে। এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে জোটের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ভার আপাতত বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের দিকেই ঠেলে দিলেন গণঅধিকার পরিষদের এই সাধারণ সম্পাদক।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন