ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ১১:২৫ এএম
ইসলামের ইতিহাসে কিছু নাম আছে, যেগুলো উচ্চারণ করলেই হৃদয়ে শ্রদ্ধার ঢেউ উঠে আসে। তাঁরা এমন কিছু সৌভাগ্যবান মানুষ, যাঁদের ত্যাগ, বিশ্বাস ও নিঃস্বার্থ আনুগত্যের জন্য স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সা.) দুনিয়াতেই জান্নাতের সুসংবাদ ঘোষণা করেছেন।
ইসলামের পরিভাষায় তাঁদের একত্রে ‘আশারায়ে মুবাশশারা’ বলা হয়।আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রা.) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:আবূ বকর জান্নাতী, উমার জান্নাতী, উসমান জান্নাতী।
আলী জান্নাতী, তলহা জান্নাতী, যুবাইর জান্নাতী, ’আবদুর রহমান ইবনু আওফ জান্নাতী, সা’দ (ইবনু আবী ওয়াক্কাস) জান্নাতী, সাঈদ (ইবনু যায়েদ) জান্নাতী এবং আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ জান্নাতী।" (তিরমিজি, হাদিস : ৩৭৪৭)
১. হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) ২. হযরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) ৩. হযরত উসমান ইবনু আফফান (রা.) ৪. হযরত আলী ইবনু আবী তালিব (রা.) ৫. হযরত তালহা ইবনু উবাইদুল্লাহ (রা.) ৬. হযরত যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রা.) ৭. হযরত আবদুর রহমান ইবনু আওফ (রা.) ৮. হযরত সা’দ ইবনু আবী ওয়াক্কাস (রা.) ৯. হযরত সাঈদ ইবনু যায়েদ (রা.) ১০. হযরত আবূ উবাইদাহ ইবনুল জাররাহ (রা.)
মহানবী (সা.)-এর দেওয়া এই সুসংবাদ কেবল শোনার জন্য নয়, বরং অনুসরণের জন্য। জান্নাতের এই সৌভাগ্যবান মানুষগুলো আমাদের শেখান—আল্লাহর পথে দৃঢ়তা, সত্যের পক্ষে অবিচলতা এবং রাসূল (সা.)-এর সুন্নাহকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন করার পদ্ধতি। দুনিয়ার ক্ষণস্থায়ী মোহকে তুচ্ছ করে আখিরাতের চিরস্থায়ী সাফল্যের পথে অগ্রসর হওয়াই মুমিনের সার্থকতা।আল্লাহ তাআলা আমাদের তাঁদের পদাঙ্ক অনুসরণ করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন