মে ৩, ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
হজযাত্রীদের বয়সসীমা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সৌদি আরব। আগে ১৫ বছরের নিচে কাউকে হজে যেতে না দেওয়ার ঘোষণা দিলেও এখন সেই বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে আবারও ১২ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুরা হজে অংশ নিতে পারবেন।
পাকিস্তান এয়ারপোর্টস অথরিটি (পিএএ) শনিবার (২ মে) জানিয়েছে, সৌদি আরব হজযাত্রীদের ওপর আরোপ করা ১৫ বছরের বয়সসীমা বাতিল করেছে। আগের নীতিতে ফিরে গিয়ে এখন থেকে ১২ বছর বা তার বেশি বয়সীদের হজে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সৌদি সরকারের এই নতুন নীতি ৩ মে থেকে কার্যকর হওয়ার কথা ছিল, যা এখন পুরোপুরি বাতিল করা হয়েছে।
পিএএ সূত্র আরও জানিয়েছে, ১৫ বছরের বয়সসীমার কারণে যেসব হজযাত্রীর ভিসা আগে বাতিল হয়েছিল, সেগুলো এখন নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পুনরায় প্রক্রিয়াকরণ করা হবে। বয়সসীমার কারণে বাতিল হওয়া সব ভিসাই পুনরায় বিবেচনার জন্য নেওয়া হবে। সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় এই বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
এর আগে চলতি বছরের হজে অংশ নিতে ১৫ বছরের কম বয়সীদের সৌদি আরবে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল কর্তৃপক্ষ। এর ফলে ওই বয়সের নিচের সব হজযাত্রীর ভিসা বাতিল করা হয়েছিল। ওই সময়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল যে, আসন্ন হজ উপলক্ষে আগামী ২৭ মে পর্যন্ত ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো যাত্রীকে বহন করে কোনো ফ্লাইট সৌদি আরবে প্রবেশ করতে পারবে না।
সে সময় সৌদি সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হজযাত্রীদের জমা দেওয়া অর্থ পুরোপুরি ফেরত দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছিল। তবে নতুন নির্দেশনায় সেই পরিস্থিতি বদলে গেছে। উল্লেখ্য যে, পাকিস্তান থেকে ইতিমধ্যে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের মক্কা ও মদিনায় যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে অনেক পরিবার এখন তাদের সন্তানদের নিয়ে হজে যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

দিনাজপুর টিভির সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন